ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের মুনাফা কমেছে প্রায় ৩ গুণ

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবিসি) কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক মুনাফায় প্রায় তিন গুণ ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে। ব্যবসায়িক মন্দাভাবের এই বছরে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের বরাতে এ খবর জানা গেছে। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি গ্রহণের জন্য আগামী ৩০ এপ্রিল বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এই সভার জন্য ১ এপ্রিল রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করেছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সর্বশেষ বছরে বিএটিবিসির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১০ টাকা ৮১ পয়সায় নেমে এসেছে, যা আগের বছরে ছিল ৩২ টাকা ৪২ পয়সা। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০২ টাকা ৫০ পয়সায়। ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ বছরের ইতিহাসে এবারই সর্বনিম্ন লভ্যাংশ ঘোষণা করল কোম্পানিটির পর্ষদ। বিগত বছরগুলোর চিত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালে কোম্পানিটি সর্বমোট ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান কর

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের মুনাফা কমেছে প্রায় ৩ গুণ

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবিসি) কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক মুনাফায় প্রায় তিন গুণ ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে। ব্যবসায়িক মন্দাভাবের এই বছরে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের বরাতে এ খবর জানা গেছে।

ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি গ্রহণের জন্য আগামী ৩০ এপ্রিল বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এই সভার জন্য ১ এপ্রিল রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করেছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সর্বশেষ বছরে বিএটিবিসির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১০ টাকা ৮১ পয়সায় নেমে এসেছে, যা আগের বছরে ছিল ৩২ টাকা ৪২ পয়সা। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০২ টাকা ৫০ পয়সায়। ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ বছরের ইতিহাসে এবারই সর্বনিম্ন লভ্যাংশ ঘোষণা করল কোম্পানিটির পর্ষদ।

বিগত বছরগুলোর চিত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালে কোম্পানিটি সর্বমোট ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করেছিল, যার মধ্যে ১৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ও ১৫০ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশ অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেই বছর তাদের শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩২ টাকা ৪২ পয়সা। এর আগের দুই বছর তথা ২০২৩ ও ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠানটি ১০০ শতাংশ হারে চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়ে আসছিল।

এদিকে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)-এর মূল্যায়ন অনুযায়ী, বিএটিবিসি দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’ রেটিং বজায় রেখেছে। ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া এই কোম্পানির বর্তমান পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৫৪০ কোটি টাকা। বর্তমানে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৭২ দশমিক ৯১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে থাকলেও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারের মালিকানা সরকার, প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বণ্টিত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow