ভারত থেকে এলো ১৬ টন চাল

ভারত থেকে আমদানি করা চাল নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে দুটি জাহাজ। ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে পানামা পতাকাবাহী ‘এইচ টি পাইনিওর’ জাহাজে ১১ হাজার এবং ভিয়েতনাম পতাকাবাহী ‘হোয়াংটন-৮৯’ জাহাজে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন চাল নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ দুটি। উন্মুক্ত আর্ন্তজাতিক দরপত্রের মাধ্যমে এই চাল আমদানি করা হয়েছে বলে জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিয়েসে’র ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কলকাতা বন্দর থেকে মোংলা বন্দরে ছেড়ে আসা জাহাজ দুটি থেকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রোববার (১৫ মার্চ) সকাল থেকে চাল খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর ছোট লাইটারেজ জাহাজে করে খালাস হওয়া চাল নৌপথে দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি গুদামে নেওয়া হচ্ছে। ৪-৫ দিনের মধ্যে জাহাজ থেকে পুরোপুরি চাল খালাস প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে জানান আবুল হাসেম। মোংলা খাদ্য অফিসের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার বলেন, জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে সরকার ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে আট লাখ টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। সেই চুক্তির আওতায় ভারত থেকে মোংলা বন্দরে আমদানি হওয়া চালের এটি নবম চালান। তিনি আরও বলেন,

ভারত থেকে এলো ১৬ টন চাল

ভারত থেকে আমদানি করা চাল নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে দুটি জাহাজ। ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে পানামা পতাকাবাহী ‘এইচ টি পাইনিওর’ জাহাজে ১১ হাজার এবং ভিয়েতনাম পতাকাবাহী ‘হোয়াংটন-৮৯’ জাহাজে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন চাল নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ দুটি।

উন্মুক্ত আর্ন্তজাতিক দরপত্রের মাধ্যমে এই চাল আমদানি করা হয়েছে বলে জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিয়েসে’র ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, কলকাতা বন্দর থেকে মোংলা বন্দরে ছেড়ে আসা জাহাজ দুটি থেকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রোববার (১৫ মার্চ) সকাল থেকে চাল খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর ছোট লাইটারেজ জাহাজে করে খালাস হওয়া চাল নৌপথে দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি গুদামে নেওয়া হচ্ছে।

৪-৫ দিনের মধ্যে জাহাজ থেকে পুরোপুরি চাল খালাস প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে জানান আবুল হাসেম।

ভারত থেকে ১৬ হাজার টন চাল এলো দেশে

মোংলা খাদ্য অফিসের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার বলেন, জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে সরকার ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে আট লাখ টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। সেই চুক্তির আওতায় ভারত থেকে মোংলা বন্দরে আমদানি হওয়া চালের এটি নবম চালান।

তিনি আরও বলেন, দেশের বাজারে চালের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ও সরবরাহ বাড়াতে ভারত থেকে সরকার এবং বেসরকারি পর্যায়ে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি শুরু হয়েছে। শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা এই চালের মধ্যে নন-বাসমতি চালই বেশি, যা দেশের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে নিয়মিতভাবে ভারতের পেট্রাপোল ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আসছে, যা দেশের বিভিন্ন স্থানে দ্রুততম সময়ে সরবরাহ করা হচ্ছে।

আবু হোসাইন সুমন/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow