ভৈরবে ইউএনওকে দেখে মূল্য তালিকা টাঙালো দোকানিরা

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে.এম মামুনুর রশীদকে দেখে মূল্য তালিকা টাঙালো নিত্যপণ্য জিনিসপত্রের দোকানিরা। এসময় বাজারে নিত্যপণ্য জিনিসপত্রের দরদাম মনিটরিং করেন ইউএনও। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ভৈরব বাজারে ফল, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্য জিনিসের দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন তিনি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভৈরব বাজারের ফলপট্রি এলাকার মদিনা ফলভান্ডার নামের একটি ফলের দোকানে ইউএনওসহ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানিক দল প্রবেশ করে। পরে দোকানিকে বিক্রির জন্য রাখা বিভিন্ন ফলের দরদাম জিজ্ঞাসা করেন। এসময় ফল বিক্রেতা তাদের ফল ক্রয়ের কোন ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি। তাছাড়া ফলের নির্ধারিত মূল্য তালিকা না পাওয়ায় তাৎক্ষণিক তালিকা টাঙানোর জন্য নির্দেশ দেন। এছাড়া পাইকারি পেঁয়াজ আড়তেও নির্ধারিত বাজার মূল্য তালিকা পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ইউএনওর নির্দেশে তাৎক্ষণিক পেঁয়াজ বিক্রেতাকে মূল্য তালিকা টাঙাতে নির্দেশ দেন। এসময় বাজারের বিভিন্ন দোকানে মনিটরিং করে বাজার দরের তালিকা ও ক্যাশ মেমো যাচাই করেন। ইউএনও কে. এম মামুনুর রশীদ বলেন, রমজান মাসে নিত্যপণ্য জিনিসপত্রের বাজার দর স্থিতিশীল রা

ভৈরবে ইউএনওকে দেখে মূল্য তালিকা টাঙালো দোকানিরা

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে.এম মামুনুর রশীদকে দেখে মূল্য তালিকা টাঙালো নিত্যপণ্য জিনিসপত্রের দোকানিরা। এসময় বাজারে নিত্যপণ্য জিনিসপত্রের দরদাম মনিটরিং করেন ইউএনও। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ভৈরব বাজারে ফল, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্য জিনিসের দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন তিনি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভৈরব বাজারের ফলপট্রি এলাকার মদিনা ফলভান্ডার নামের একটি ফলের দোকানে ইউএনওসহ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানিক দল প্রবেশ করে। পরে দোকানিকে বিক্রির জন্য রাখা বিভিন্ন ফলের দরদাম জিজ্ঞাসা করেন। এসময় ফল বিক্রেতা তাদের ফল ক্রয়ের কোন ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি। তাছাড়া ফলের নির্ধারিত মূল্য তালিকা না পাওয়ায় তাৎক্ষণিক তালিকা টাঙানোর জন্য নির্দেশ দেন। এছাড়া পাইকারি পেঁয়াজ আড়তেও নির্ধারিত বাজার মূল্য তালিকা পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ইউএনওর নির্দেশে তাৎক্ষণিক পেঁয়াজ বিক্রেতাকে মূল্য তালিকা টাঙাতে নির্দেশ দেন। এসময় বাজারের বিভিন্ন দোকানে মনিটরিং করে বাজার দরের তালিকা ও ক্যাশ মেমো যাচাই করেন।

ইউএনও কে. এম মামুনুর রশীদ বলেন, রমজান মাসে নিত্যপণ্য জিনিসপত্রের বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে ভৈরব বাজারে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দোকানগুলোতে দরদাম মনিটরিং করেছি। এসময় দোকানগুলোতে মূল্য তালিকা না থাকাসহ কিছু ত্রুটি পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে সেসব ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছি। পরবর্তীতে যদি এমন ত্রুটি পাওয়া যায় তাহলে তাদেরকে জেল জরিমানা আদায় করা হবে। জনস্বার্থে পুরো রমজান মাস বাজার মনিটরিং করা হবে।

এসময় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন- ভৈরব সার্কেল অফিসের সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি মোহাম্মদ ফয়জুল ইসলাম, ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ, পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নাসিমা বেগম।

রাজীবুল হাসান/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow