ভোলার অপহৃত কলেজছাত্রীকে কুয়াকাটা থেকে উদ্ধার
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে ভোলার চরফ্যাশনের অপহৃত কলেজছাত্রী কারিমা হাসানকে (১৭) উদ্ধার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) সকালে আটকদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল থেকে কারিমাকে উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলেন- চরফ্যাশন এলাকার মো. হাসনাইন (২১) ও মেহেদী হাসান (২৬)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৬ মে) ভোলার চরফ্যাশন এলাকা থেকে কলেজছাত্রী কারিমা হাসান অপহৃত হন। অভিযোগ রয়েছে, তাকে ইনজেকশন দিয়ে অজ্ঞান করার পর অপহরণ করা হয়। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুয়াকাটার হোটেল রুপান্তি থেকে তাকে উদ্ধার করে মহিপুর থানা পুলিশ। মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভোলার চরফ্যাশন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুণীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে ভোলার চরফ্যাশনের অপহৃত কলেজছাত্রী কারিমা হাসানকে (১৭) উদ্ধার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) সকালে আটকদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল থেকে কারিমাকে উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলেন- চরফ্যাশন এলাকার মো. হাসনাইন (২১) ও মেহেদী হাসান (২৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৬ মে) ভোলার চরফ্যাশন এলাকা থেকে কলেজছাত্রী কারিমা হাসান অপহৃত হন। অভিযোগ রয়েছে, তাকে ইনজেকশন দিয়ে অজ্ঞান করার পর অপহরণ করা হয়। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুয়াকাটার হোটেল রুপান্তি থেকে তাকে উদ্ধার করে মহিপুর থানা পুলিশ।
মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ভোলার চরফ্যাশন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত তরুণীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?