মন্ত্রিপরিষদে স্থান পেলেন মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহীতে উচ্ছ্বাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে নব-নির্বাচিত বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুকে নতুন সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তার এই শপথের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল রাজশাহীবাসী। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাড়ে ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। এর আগে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাই প্রায় দুই যুগ পর আবারও মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল রাজশাহী, যা স্থানীয় জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজশাহীর ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অনেক বছর পর আমাদের রাজশাহী থেকে একজন মন্ত্রী হলো এটা সত্যিই গর্বের বিষয়। আমরা আশা করি, এখন এলাকার উন্নয়ন আরও দ্রুত হবে। রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, এটা শুধু একজন মানুষের অর্জন না, পুরো রাজশাহীর অর্জন। আমরা চাই, নতুন মন্ত্রী তরুণদের জন্য কাজ করবেন। রাজশাহী মহানগর বিএ

মন্ত্রিপরিষদে স্থান পেলেন মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহীতে উচ্ছ্বাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসন থেকে নব-নির্বাচিত বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুকে নতুন সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তার এই শপথের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল রাজশাহীবাসী।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সাড়ে ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি।

এর আগে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাই প্রায় দুই যুগ পর আবারও মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল রাজশাহী, যা স্থানীয় জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রাজশাহীর ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, অনেক বছর পর আমাদের রাজশাহী থেকে একজন মন্ত্রী হলো এটা সত্যিই গর্বের বিষয়। আমরা আশা করি, এখন এলাকার উন্নয়ন আরও দ্রুত হবে।

রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, এটা শুধু একজন মানুষের অর্জন না, পুরো রাজশাহীর অর্জন। আমরা চাই, নতুন মন্ত্রী তরুণদের জন্য কাজ করবেন।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, দীর্ঘদিন পর রাজশাহীতে একটি মন্ত্রী পাওয়া গেছে। এটি রাজশাহীর জন্য বেশ আনন্দের। আমরা চাই, তার মাধ্যমে রাজশাহীতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো তিনি বাস্তবায়ন করবেন। পাশাপাশি রাজশাহী যে উন্নয়ন বাকি ছিলে সেগুলো তিনি তার মাধ্যমে নিয়ে আসবেন এমনটিই আমাদের আশা।

সাখাওয়াত হোসেন/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow