মন্ত্রীর ভুয়া সিল-স্বাক্ষর ব্যবহার করে জমি লিজের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২
পানিসম্পদমন্ত্রীর ভুয়া সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে জমি লিজ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে সাতক্ষীরায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে শহরের ইটাগাছা এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন— মোস্তাফিজুর রহমান (৩৫), বাড়ি কালিগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে এবং আব্দুর রহিম (৪২), বাড়ি দেবহাটা উপজেলার কামটা গ্রামে। পুলিশ জানায়, একটি চক্র পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে পানিসম্পদমন্ত্রীর নামে ভুয়া সিল তৈরি ও স্বাক্ষর জাল করে জমি লিজ নেওয়ার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে সন্দেহ হলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিষয়টি যাচাই করে স্বাক্ষর জাল বলে নিশ্চিত হন। পরে বুধবার বিকেলে অভিযুক্তরা পূর্বে জমা দেওয়া আবেদনের বিষয়ে তদবির করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে। এ ঘটনায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সাতক্ষীরা থানায় মামলা করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৫, ৪৭৩ ও ৩৪ ধারায় করা হয়েছে। সাতক্ষীরা থানার ওসি মুহাম্মদ মাসুদুর রহম
পানিসম্পদমন্ত্রীর ভুয়া সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করে জমি লিজ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে সাতক্ষীরায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে শহরের ইটাগাছা এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— মোস্তাফিজুর রহমান (৩৫), বাড়ি কালিগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে এবং আব্দুর রহিম (৪২), বাড়ি দেবহাটা উপজেলার কামটা গ্রামে।
পুলিশ জানায়, একটি চক্র পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে পানিসম্পদমন্ত্রীর নামে ভুয়া সিল তৈরি ও স্বাক্ষর জাল করে জমি লিজ নেওয়ার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে সন্দেহ হলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিষয়টি যাচাই করে স্বাক্ষর জাল বলে নিশ্চিত হন।
পরে বুধবার বিকেলে অভিযুক্তরা পূর্বে জমা দেওয়া আবেদনের বিষয়ে তদবির করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে সাতক্ষীরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে।
এ ঘটনায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সাতক্ষীরা থানায় মামলা করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৫, ৪৭৩ ও ৩৪ ধারায় করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা থানার ওসি মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রতারণা ও জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?