মাইক্রোবাস ফেলে চালকের পলায়ন, মিলল ২১ কার্টন বিদেশি মদ
চট্টগ্রাম নগরের কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু (নতুন ব্রিজ) এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের তল্লাশির মুখে মাইক্রোবাস ফেলে পালিয়ে গেছেন চালক। পরে ওই গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ২১ কার্টন বিদেশি মদ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নতুন ব্রিজ চত্বরের কক্সবাজারমুখী সড়কে এ ঘটনা ঘটে। পরে বাকলিয়া থানা পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে মাইক্রোবাসটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়া চালককে শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্র জানায়, নিয়মিত চেকিংয়ের অংশ হিসেবে নতুন ব্রিজ এলাকায় সন্দেহজনক একটি মাইক্রোবাসকে থামার সংকেত দেন ট্রাফিক সদস্যরা। সংকেত পেয়ে চালক গাড়িটি সড়কের পাশে থামান। এরপর কাগজপত্র দেখানোর কথা বলা হলে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন।
একপর্যায়ে চালক গাড়ি লক করে বাইরে নেমে মোবাইল ফোনে কথা বলার ভান করতে থাকেন। এতে ট্রাফিক সদস্যদের সন্দেহ আরও বাড়ে। পরে তারা গাড়ির ভেতরে উঁকি দিতেই চালক হঠাৎ দৌড়ে পালিয়ে যান।
ট্রাফিক পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাকে ধাওয়া করলেও জনসমাগমের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন তিনি।
খবর পেয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাইক্রোবাস
চট্টগ্রাম নগরের কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু (নতুন ব্রিজ) এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের তল্লাশির মুখে মাইক্রোবাস ফেলে পালিয়ে গেছেন চালক। পরে ওই গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ২১ কার্টন বিদেশি মদ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নতুন ব্রিজ চত্বরের কক্সবাজারমুখী সড়কে এ ঘটনা ঘটে। পরে বাকলিয়া থানা পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে মাইক্রোবাসটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়া চালককে শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্র জানায়, নিয়মিত চেকিংয়ের অংশ হিসেবে নতুন ব্রিজ এলাকায় সন্দেহজনক একটি মাইক্রোবাসকে থামার সংকেত দেন ট্রাফিক সদস্যরা। সংকেত পেয়ে চালক গাড়িটি সড়কের পাশে থামান। এরপর কাগজপত্র দেখানোর কথা বলা হলে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন।
একপর্যায়ে চালক গাড়ি লক করে বাইরে নেমে মোবাইল ফোনে কথা বলার ভান করতে থাকেন। এতে ট্রাফিক সদস্যদের সন্দেহ আরও বাড়ে। পরে তারা গাড়ির ভেতরে উঁকি দিতেই চালক হঠাৎ দৌড়ে পালিয়ে যান।
ট্রাফিক পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাকে ধাওয়া করলেও জনসমাগমের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন তিনি।
খবর পেয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাইক্রোবাসটি নিজেদের হেফাজতে নেয়। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে ২১ কার্টন বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, প্রতিটি কার্টনে ১০ থেকে ১১টি করে বিদেশি মদের বোতল রয়েছে। উদ্ধার হওয়া মদের চালানের উৎস, কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং কোথায় নেওয়া হচ্ছিল এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির বলেন, ‘ট্রাফিক পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় চালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যান। পরে তল্লাশি করে ২১ কার্টন বিদেশি মদ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।’
ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকারী ট্রাফিক সার্জেন্ট শহিদুল ইসলাম মাইক্রোবাসটি থামানোর সংকেত দিয়েছিলেন। ট্রাফিক বিভাগের কনস্টেবল অনিক বলেন, ‘নিয়মিত চেকিংয়ের সময় গাড়িটিকে থামানো হয়। চালককে কাগজপত্র দেখাতে বললে তিনি গাড়ি লক করে বাইরে নেমে মোবাইলে কথা বলতে থাকেন। গাড়ির ভেতরে তাকাতেই তিনি হঠাৎ দৌড়ে পালিয়ে যান।’
প্রত্যক্ষদর্শী হারুন জানান, পুলিশ একজনকে ধাওয়া করছে দেখে তিনিসহ কয়েকজন তাকে ধরার চেষ্টা করেন। তবে মানুষের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে ওই ব্যক্তি পালিয়ে যান। তার বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ বছর।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বিদেশি মদের প্রকৃত উৎস, পরিবহন প্রক্রিয়া এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।