মাইন অপসারণে হরমুজ পাড়ি দিল ২ যুদ্ধজাহাজ
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর দুই জাহাজ। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, প্রণালিতে মাইন অপসারণে কাজ করছে জাহাজ দুটি। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান। শনিবার (১১ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শনিবার মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক মার্কিন সামরিক কমান্ড ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের দুটি ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ফ্রাঙ্ক ই পিটারসন ও ইউএসএস মাইকেল মারফি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে আরব উপসাগরে প্রবেশ করেছে। সংস্থাটির দাবি, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইজিসি) যে সমুদ্র মাইন পেতেছিল, তা পরিষ্কার করার বৃহত্তর মিশনের অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মার্কিন অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার একে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, নতুন একটি নিরাপদ নৌপথ তৈরি করা হচ্ছে, যা শিগগিরই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। হরমুজ প্রণালি বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুদ্ধ শুরুর পর ইরান এই প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর দুই জাহাজ। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, প্রণালিতে মাইন অপসারণে কাজ করছে জাহাজ দুটি। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান।
শনিবার (১১ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক মার্কিন সামরিক কমান্ড ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের দুটি ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ফ্রাঙ্ক ই পিটারসন ও ইউএসএস মাইকেল মারফি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে আরব উপসাগরে প্রবেশ করেছে। সংস্থাটির দাবি, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইজিসি) যে সমুদ্র মাইন পেতেছিল, তা পরিষ্কার করার বৃহত্তর মিশনের অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
মার্কিন অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার একে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান সংঘাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, নতুন একটি নিরাপদ নৌপথ তৈরি করা হচ্ছে, যা শিগগিরই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুদ্ধ শুরুর পর ইরান এই প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে এবং আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।
তবে ইরানের সামরিক বাহিনীর খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র মার্কিন দাবিকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কোনো জাহাজ চলাচলের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতেই রয়েছে। আইজিসিওি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, অনুমতি ছাড়া কোনো সামরিক জাহাজ প্রবেশ করলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
এদিকে এই উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর এটাই দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক।
তবে আলোচনায় এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, যুদ্ধবিরতি শর্ত এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এ মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই এই যুদ্ধে ‘জয়ী’ হয়েছে। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালী পরিষ্কার করা হচ্ছে বিশ্ব বাণিজ্যের স্বার্থে। বর্তমানে যুদ্ধের ছয় সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে এবং দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কতদিন স্থায়ী হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
What's Your Reaction?