মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ জনজীবন
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী ইউনিয়নে মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য ও চুরির উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থান এখন মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। মাদকের টাকার জোগান দিতে এলাকায় আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরি, যার সর্বশেষ শিকার হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকও। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার সুপারি বাগানগুলোতে দিন-রাত চলে মাদকসেবীদের আড্ডা। বাগানের ভেতর মাদকসেবনের অসংখ্য আলামত ও সরঞ্জাম ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। বহিরাগত মাদকসেবী ও কারবারিদের অবাধ যাতায়াতে এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মাদকসেবীদের এ বেপরোয়া আচরণের বলি হচ্ছেন সাধারণ গৃহস্থ ও কৃষকরা। গত কয়েক দিনে এলাকায় বেশ কয়েকটি দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ দৈনিক কালবেলার হাইমচর প্রতিনিধি শিমুল অধিকারী সুমনের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। চোরচক্র ঘরের পাটাতন থেকে প্রায় ৩ মণ শুকনো সুপারি এবং ঘরে থাকা নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে গেছে। এর আগে ওই এলাকার নিরপতি শীল ও দীপংকর মজুমদারের ঘরের পাটাতন থেকেও একইভাবে শুকনো সুপারি চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ,
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী ইউনিয়নে মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য ও চুরির উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থান এখন মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। মাদকের টাকার জোগান দিতে এলাকায় আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে চুরি, যার সর্বশেষ শিকার হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকও।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার সুপারি বাগানগুলোতে দিন-রাত চলে মাদকসেবীদের আড্ডা। বাগানের ভেতর মাদকসেবনের অসংখ্য আলামত ও সরঞ্জাম ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। বহিরাগত মাদকসেবী ও কারবারিদের অবাধ যাতায়াতে এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
মাদকসেবীদের এ বেপরোয়া আচরণের বলি হচ্ছেন সাধারণ গৃহস্থ ও কৃষকরা। গত কয়েক দিনে এলাকায় বেশ কয়েকটি দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ দৈনিক কালবেলার হাইমচর প্রতিনিধি শিমুল অধিকারী সুমনের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। চোরচক্র ঘরের পাটাতন থেকে প্রায় ৩ মণ শুকনো সুপারি এবং ঘরে থাকা নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে গেছে।
এর আগে ওই এলাকার নিরপতি শীল ও দীপংকর মজুমদারের ঘরের পাটাতন থেকেও একইভাবে শুকনো সুপারি চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চোরদের প্রধান টার্গেট এখন কৃষকের কষ্টার্জিত শুকনো সুপারি। নেশার টাকার জন্য মাদকসেবীরা এখন শুধু টাকা বা মোবাইল নয়, হাঁস-মুরগি থেকে শুরু করে ঘরের পাটাতনে রাখা সুপারিও নিয়ে যাচ্ছে। পথের ধারের বাড়িগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক শিমুল অধিকারী বলেন, মাদকসেবীরা ওত পেতে থেকে সুযোগ বুঝে সাধারণ মানুষের ঘরে হানা দিচ্ছে। তাদের কারণে এখন নিজের ঘরেও নিরাপত্তা নেই।
হাইমচর থানার ওসি মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, মাদক ও চুরির বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হবে।
What's Your Reaction?