মাদারীপুরে তুমুল সংঘর্ষ, নিহত ১
মাদারীপুর পৌর শহরের লক্ষ্মীগঞ্জ এলাকায় শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আলমগীর হাওলাদার (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলমগীর হাওলাদার লক্ষ্মীগঞ্জ এলাকার হাফেজ হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে হাসান মুন্সি ও আক্তার হাওলাদারের দুই গ্রুপের সমর্থকরা সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেয়। এরই অংশ হিসেবে উভয় পক্ষ এলাকাজুড়ে মহড়া দেওয়া শুরু করে। পরে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে হাসান মুন্সির সমর্থকরা। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় আবারও উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এর আগে, গত রোববার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। রাত সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে দফায় দফায় অর্ধশতাধিক হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়। বোমার বিকট শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তার জন্য মানুষ ঘরের ভেতর আশ্রয় নেয়। খবর পেয়ে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থ
মাদারীপুর পৌর শহরের লক্ষ্মীগঞ্জ এলাকায় শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আলমগীর হাওলাদার (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলমগীর হাওলাদার লক্ষ্মীগঞ্জ এলাকার হাফেজ হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে হাসান মুন্সি ও আক্তার হাওলাদারের দুই গ্রুপের সমর্থকরা সংঘর্ষের প্রস্তুতি নেয়। এরই অংশ হিসেবে উভয় পক্ষ এলাকাজুড়ে মহড়া দেওয়া শুরু করে। পরে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে হাসান মুন্সির সমর্থকরা। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় আবারও উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এর আগে, গত রোববার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। রাত সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে দফায় দফায় অর্ধশতাধিক হাতবোমা নিক্ষেপ করা হয়। বোমার বিকট শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং নিরাপত্তার জন্য মানুষ ঘরের ভেতর আশ্রয় নেয়। খবর পেয়ে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয়রা জানান, এর আগে হাসান মুন্সি ও আক্তার হাওলাদার গ্রুপের সংঘর্ষে হাসান মুন্সির ভাই শাকিল মুন্সিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, বোমাবাজি ও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, সকালের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টহল জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাকিল মুন্সি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে হাসান মুন্সি ও আক্তার হাওলাদার গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এসব সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মধ্যে চার থেকে পাঁচ দফায় প্রায় চার শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।