মুক্তি মিললো না সাবেক এমপি সেঁজুতির, ফের হত্যা মামলায় গ্রেফতার
সাবেক সংসদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে আবারও একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সর্বশেষ মামলায় জামিন পাওয়ার পর মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও নতুন মামলায় তাকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডলের আদালত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অনাথ মিত্রের আবেদনের পর শুনানি শেষে তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালত সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি যশোরের পিকনিক কর্নার এলাকায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলাটি ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা সদর থানায় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১, ১৪৯ ও ৩৪ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় রেকর্ড করা হয়। এর আগে, ২০২৫ সালের ২০ মে রাতে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগর এলাকার নিজ বাসা থেকে লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি মামলা ও হত্যা মা
সাবেক সংসদ সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে আবারও একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সর্বশেষ মামলায় জামিন পাওয়ার পর মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও নতুন মামলায় তাকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৩ জুলাই) সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডলের আদালত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অনাথ মিত্রের আবেদনের পর শুনানি শেষে তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি যশোরের পিকনিক কর্নার এলাকায় সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলাটি ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা সদর থানায় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১, ১৪৯ ও ৩৪ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় রেকর্ড করা হয়।
এর আগে, ২০২৫ সালের ২০ মে রাতে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগর এলাকার নিজ বাসা থেকে লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি মামলা ও হত্যা মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।
সেঁজুতির আইনজীবী প্যানেলের সদস্য অ্যাডভোকেট আল মাহামুদ পলাশ জানান, সর্বশেষ মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পরও একের পর এক নতুন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে। এর আগে, বিভিন্ন মামলায় উচ্চ আদালত ও জেলা জজ আদালত থেকে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বাদী মো. ইমদাদুল হক অভিযোগ করেন, তার ভাই শহিদুল ইসলামকে ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে সাতক্ষীরার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে যশোরের পিকনিক কর্নার এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সে সময় ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল এবং নিহতের পরিবারকে মামলা করতে বাধা দেওয়া হয়।
সোমবার আদালতের আদেশে ওই হত্যা মামলাতেই লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়।
আহসানুর রহমান রাজীব/কেএইচকে/এএসএম
What's Your Reaction?