যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই যৌথ সামরিক মহড়া ইরান-রাশিয়ার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে ইরান ও রাশিয়া। মহড়া এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। দেশ দুইটির নৌবাহিনীর অংশগ্রহণে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশের নৌবাহিনী জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার, সমুদ্র নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং অপারেশনাল সমন্বয় উন্নত করার লক্ষ্যেই এই যৌথ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছিল। এ মহড়া সামুদ্রিক কূটনীতি উন্নয়ন, সামরিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা ভবিষ্যতেও সমুদ্র নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় যৌথ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালাতে সব ধরনের সামরিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন শুধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের অপেক্ষায় মার্কিন সামরিক বাহিনী। তবে ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) একাধিক মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমস, সিবিএস নিউজ ও সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে এরই মধ্যে পর্যাপ্ত বিমান ও নৌ-সামরিক শক্তি জড়ো করা হয়েছে। ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরি ও এর বহর বর্তমান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই যৌথ সামরিক মহড়া ইরান-রাশিয়ার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে ইরান ও রাশিয়া। মহড়া এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। দেশ দুইটির নৌবাহিনীর অংশগ্রহণে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

দুই দেশের নৌবাহিনী জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার, সমুদ্র নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং অপারেশনাল সমন্বয় উন্নত করার লক্ষ্যেই এই যৌথ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছিল।

এ মহড়া সামুদ্রিক কূটনীতি উন্নয়ন, সামরিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা ভবিষ্যতেও সমুদ্র নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় যৌথ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এদিকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালাতে সব ধরনের সামরিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন শুধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের অপেক্ষায় মার্কিন সামরিক বাহিনী। তবে ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) একাধিক মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমস, সিবিএস নিউজ ও সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে এরই মধ্যে পর্যাপ্ত বিমান ও নৌ-সামরিক শক্তি জড়ো করা হয়েছে।

ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরি ও এর বহর বর্তমানে ইরানের নিকটবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করছে। দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড মধ্যপ্রাচ্যের পথে রয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এটি পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের কাছে ছিল। বেশ কিছু রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার এবং ৫০টির বেশি অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান মোতায়েন রয়েছে।

অন্যদিকে সিবিএস জানিয়েছে, সম্ভাব্য পাল্টা হামলার ঝুঁকি এড়াতে পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্য থেকে কিছু কর্মী সরিয়ে নিচ্ছে।

সূত্র: প্রেসটিভি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow