যুক্তরাষ্ট্রের হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম ধ্বংস করল ইরান

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, কুয়েতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম (হিমার্স) ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ড্রোন হামলায় ধ্বংস করা হয়েছে। রোববার ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, 'নির্ভুল ড্রোন অভিযানে' ওই হিমার্স লঞ্চার ও সেগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র পড ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের দাবি, এগুলো ইরানের দিকে হামলার জন্য প্রস্তুত ছিল। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, ওই হামলায় তিনজন মার্কিন কর্মকর্তা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে এ তথ্যের পক্ষে কোনো স্বাধীন প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে এবং ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে হামলায় স্বল্প-পাল্লার হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা কুয়েতের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে কুয়েত জানিয়েছিল, দেশটির উত্তরাঞ্চলের তিনটি স্থল সীমান্ত চৌকি এবং কুয়েত অয়েল কোম্পানির (কেওসি) একটি অফশোর তেল খনন প্ল্যাটফর্মে হামলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম ধ্বংস করল ইরান
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, কুয়েতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম (হিমার্স) ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ড্রোন হামলায় ধ্বংস করা হয়েছে। রোববার ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, 'নির্ভুল ড্রোন অভিযানে' ওই হিমার্স লঞ্চার ও সেগুলোর ক্ষেপণাস্ত্র পড ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের দাবি, এগুলো ইরানের দিকে হামলার জন্য প্রস্তুত ছিল। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, ওই হামলায় তিনজন মার্কিন কর্মকর্তা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে এ তথ্যের পক্ষে কোনো স্বাধীন প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে এবং ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে হামলায় স্বল্প-পাল্লার হিমার্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র বা কুয়েতের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে কুয়েত জানিয়েছিল, দেশটির উত্তরাঞ্চলের তিনটি স্থল সীমান্ত চৌকি এবং কুয়েত অয়েল কোম্পানির (কেওসি) একটি অফশোর তেল খনন প্ল্যাটফর্মে হামলা হয়েছে। এতে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং একজন কর্মী আহত হয়েছেন। তবে হামলার জন্য কোনো পক্ষকে দায়ী করেনি কুয়েত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow