যে কীর্তিতে পেলে-রোমারিওকেও ছাড়িয়ে গেলেন ভিনিসিয়াস

শুরু হয়ে গেল ব্রাজিলের শিরোপা পুনরুদ্ধারের লড়াই। ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।। তবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত 'সি' গ্রুপের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ব্যক্তিগত এক অনন্য কীর্তি গড়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়‍াস জুনিয়র। আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ভরপুর রোমাঞ্চকর ম্যাচে ব্রাজিল পিছিয়ে পড়লেও ৩২তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে দলকে সমতায় ফেরান ভিনিসিয়াস। বাঁ প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নেওয়া তার বুলেটগতির শট ঠেকানোর কোনো সুযোগই পাননি মরক্কোর গোলরক্ষক। ম্যাচটি ভিনিসিয়াসের জন্য ছিল বিশেষ এক উপলক্ষ। ব্রাজিলের হলুদ জার্সিতে এটি ছিল তার ৫০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আর সেই মাইলফলকের ম্যাচটিকেই স্মরণীয় করে রাখলেন গোল করে। জাতীয় দলের হয়ে এটি ভিনিসিয়াসের ১০তম গোল এবং বিশ্বকাপের মঞ্চে দ্বিতীয় গোল। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে উদীয়মান প্রতিভা হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই ফরোয়ার্ড এখন ২০২৬ বিশ্বকাপে সেলেসাওদের অন্যতম প্রধান ভরসার প্রতীক। শুধু গোলই নয়, ৫০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করেও ইতিহাস গড়েছেন ব্রাজিলের এই নম

যে কীর্তিতে পেলে-রোমারিওকেও ছাড়িয়ে গেলেন ভিনিসিয়াস

শুরু হয়ে গেল ব্রাজিলের শিরোপা পুনরুদ্ধারের লড়াই। ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।। তবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত 'সি' গ্রুপের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে ব্যক্তিগত এক অনন্য কীর্তি গড়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়‍াস জুনিয়র।

আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে ভরপুর রোমাঞ্চকর ম্যাচে ব্রাজিল পিছিয়ে পড়লেও ৩২তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে দলকে সমতায় ফেরান ভিনিসিয়াস। বাঁ প্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নেওয়া তার বুলেটগতির শট ঠেকানোর কোনো সুযোগই পাননি মরক্কোর গোলরক্ষক।

ম্যাচটি ভিনিসিয়াসের জন্য ছিল বিশেষ এক উপলক্ষ। ব্রাজিলের হলুদ জার্সিতে এটি ছিল তার ৫০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আর সেই মাইলফলকের ম্যাচটিকেই স্মরণীয় করে রাখলেন গোল করে।

জাতীয় দলের হয়ে এটি ভিনিসিয়াসের ১০তম গোল এবং বিশ্বকাপের মঞ্চে দ্বিতীয় গোল। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে উদীয়মান প্রতিভা হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই ফরোয়ার্ড এখন ২০২৬ বিশ্বকাপে সেলেসাওদের অন্যতম প্রধান ভরসার প্রতীক।

শুধু গোলই নয়, ৫০ আন্তর্জাতিক ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করেও ইতিহাস গড়েছেন ব্রাজিলের এই নম্বর সেভেন। সবচেয়ে কম সময়ে জাতীয় দলের হয়ে ৫০ ম্যাচ খেলার রেকর্ডে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ব্রাজিল ফুটবলের দুই কিংবদন্তি পেলে ও রোমারিওকে।

যেখানে রোমারিওর ৫০ ম্যাচ পূর্ণ করতে সময় লেগেছিল সাত বছর এবং পেলের লেগেছিল এক দশক, সেখানে ভিনিসিয়ুস মাত্র ৬ বছর ৯ মাসেই পৌঁছে গেছেন এই মাইলফলকে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow