রপ্তানিকারকদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চালু

রপ্তানিকারকদের স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা দিতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিদ্যমান ১০ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিল থেকে এ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় ব্যাংকগুলো ২ শতাংশ সুদে তহবিল সংগ্রহ করে গ্রাহকদের কাছে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করতে পারবে। রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরণের আগের প্রস্তুতিমূলক খরচ মেটাতে ব্যবসায়ীরা এই প্রি-শিপমেন্ট ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বৃহস্পতিবার সব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। এর আগে করোনাভাইরাস মহামারির শুরুতে ২০২০ সালের এপ্রিলে প্রথমবার পাঁচ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছিল, যার মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর এবং তা শেষ হয় গত বছরের এপ্রিলে। পরবর্তীতে এ তহবিলের মেয়াদ আর বাড়ানো হয়নি। আগের মতোই ব্যাংকগুলো ২ শতাংশ সুদে অর্থ নিয়ে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দিতো। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের সব ব্যাংক এ তহবিল থেকে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা নিতে পারবে এবং এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। কোনো একক প্রতিষ্ঠান একই সময়ে সুদসহ সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকার ব

রপ্তানিকারকদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল চালু

রপ্তানিকারকদের স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা দিতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিদ্যমান ১০ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিল থেকে এ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

এ ব্যবস্থায় ব্যাংকগুলো ২ শতাংশ সুদে তহবিল সংগ্রহ করে গ্রাহকদের কাছে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করতে পারবে। রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরণের আগের প্রস্তুতিমূলক খরচ মেটাতে ব্যবসায়ীরা এই প্রি-শিপমেন্ট ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বৃহস্পতিবার সব ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে করোনাভাইরাস মহামারির শুরুতে ২০২০ সালের এপ্রিলে প্রথমবার পাঁচ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছিল, যার মেয়াদ ছিল পাঁচ বছর এবং তা শেষ হয় গত বছরের এপ্রিলে। পরবর্তীতে এ তহবিলের মেয়াদ আর বাড়ানো হয়নি। আগের মতোই ব্যাংকগুলো ২ শতাংশ সুদে অর্থ নিয়ে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ সুদে ঋণ দিতো।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের সব ব্যাংক এ তহবিল থেকে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা নিতে পারবে এবং এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। কোনো একক প্রতিষ্ঠান একই সময়ে সুদসহ সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিতে পারবে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের চলমান সংঘাতসহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানিমুখী খাত চাপে রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়ানোর লক্ষ্যেই প্রি-শিপমেন্ট ঋণ খাতে পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইএআর/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow