রাতের আঁধারে কৃষকের পেঁয়াজ-রসুন নষ্ট করল দুর্বৃত্তরা

রাতের আঁধারে এক কৃষকের পেঁয়াজ ও রসুন ক্ষেত থেকে তুলে পাশের পুকুরে ফেলে নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. আসমত মন্ডল। ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর মদাপুর ইউনিয়ন এলাকায়। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক নিজেই। এর আগে সোমবার রাতের কোনো এক সময়ে ফসল নষ্ট করার ঘটনাটি ঘটায় দুর্বৃত্তরা।  ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দুর্গাপুর গ্রামের মৃত পিন্টু আলী মন্ডলের ছেলে। ভুক্তভোগী আসমত মন্ডল বলেন, চলতি মৌসুমে ৮ শতাংশ জমিতে রসুন ও ৪০ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজ চাষ করা হয়। রাতের আঁধারে কে বা কারা আমার রসুন ও পেঁয়াজ তুলে পাশের পুকুরে ফেলে দিয়েছে। সকালে খবর পেয়ে মাঠে এসে দেখি সব নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক কষ্ট করে চাষ করেছি। প্রশাসনের কাছে আমি এর সঠিক বিচার চাই। স্থানীয় কৃষক বাবু শিং বলেন, যারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আজ আসমত ভাইয়ের ফসল নষ্ট করেছে, কাল অন্য কারো ক্ষতি করতে পারে। আরেক কৃষক আহম্মেদ আলী মন্ডল বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করি। যদি এভাবে ফসল নষ্ট করা হয়, তাহলে চাষাবাদ করা কঠিন হয়ে পড়বে। প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির

রাতের আঁধারে কৃষকের পেঁয়াজ-রসুন নষ্ট করল দুর্বৃত্তরা

রাতের আঁধারে এক কৃষকের পেঁয়াজ ও রসুন ক্ষেত থেকে তুলে পাশের পুকুরে ফেলে নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. আসমত মন্ডল। ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর মদাপুর ইউনিয়ন এলাকায়।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক নিজেই। এর আগে সোমবার রাতের কোনো এক সময়ে ফসল নষ্ট করার ঘটনাটি ঘটায় দুর্বৃত্তরা। 

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দুর্গাপুর গ্রামের মৃত পিন্টু আলী মন্ডলের ছেলে।

ভুক্তভোগী আসমত মন্ডল বলেন, চলতি মৌসুমে ৮ শতাংশ জমিতে রসুন ও ৪০ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজ চাষ করা হয়। রাতের আঁধারে কে বা কারা আমার রসুন ও পেঁয়াজ তুলে পাশের পুকুরে ফেলে দিয়েছে। সকালে খবর পেয়ে মাঠে এসে দেখি সব নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক কষ্ট করে চাষ করেছি। প্রশাসনের কাছে আমি এর সঠিক বিচার চাই।

স্থানীয় কৃষক বাবু শিং বলেন, যারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আজ আসমত ভাইয়ের ফসল নষ্ট করেছে, কাল অন্য কারো ক্ষতি করতে পারে।

আরেক কৃষক আহম্মেদ আলী মন্ডল বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করি। যদি এভাবে ফসল নষ্ট করা হয়, তাহলে চাষাবাদ করা কঠিন হয়ে পড়বে। প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুক।

কালুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পুর্নিমা হালদার জানান, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ইতোমধ্যে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে প্রণোদনার আওতায় আনার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow