শহীদ মিনারে রাকিব হত্যায় দুই আসামির দোষ স্বীকার
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কলেজ শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান রাকিবকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনার মামলায় গোলাম রসুল শিহাব এবং সাগর কবির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এছাড়া রাফিন শেখ এবং শাহরিয়ার নাজিম জয় নামে দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড দেয়া হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন আসামিদের জবানবন্দি রেকর্ড এবং রিমান্ডের আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মো. মিঠু সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, চার আসামির মধ্যে শিহাবকে ঘটনাস্থল শহীদ মিনার, সাগরকে পটুয়াখালী এবং রাফিন ও জয়কে খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। শিহাব এবং সাগর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড এবং রাফিন ও জয়ের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শিহাব এবং সাগর আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। অপর দুই আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান এ তদন্ত কর্মকর্তা। আসামিদেরকে আদালতে হাজির করে তদন্
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কলেজ শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান রাকিবকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনার মামলায় গোলাম রসুল শিহাব এবং সাগর কবির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এছাড়া রাফিন শেখ এবং শাহরিয়ার নাজিম জয় নামে দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড দেয়া হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন আসামিদের জবানবন্দি রেকর্ড এবং রিমান্ডের আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মো. মিঠু সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, চার আসামির মধ্যে শিহাবকে ঘটনাস্থল শহীদ মিনার, সাগরকে পটুয়াখালী এবং রাফিন ও জয়কে খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। শিহাব এবং সাগর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড এবং রাফিন ও জয়ের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শিহাব এবং সাগর আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। অপর দুই আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।
ঘটনায় জড়িত অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান এ তদন্ত কর্মকর্তা।
আসামিদেরকে আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা ২ ও ৩ নম্বর আসামির রিমান্ড আবেদন করেন। এবং ১ ও ৪ নম্বর আসামিরা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে চাইলে আদালতের কাছে তা রেকর্ড করার আবেদন করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করেন, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) ও দেশীয় অস্ত্র (চাইনিজ চাকু) উদ্ধার এবং এই ঘটনার পেছনে আর কারা জড়িত বা কার নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এই তথ্য সংগ্রহের জন্য এবং পলাতক আসামিদের শনাক্ত করতে ২ নম্বর আসামি ( মো. রাফিন শেখ) ও ৩ নম্বর আসামি শাহরিয়ার নাজিম জয়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।
এছাড়া ১ ও ৪ নম্বর আসামির জন্য জবানবন্দির আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, তদন্তে জানা গেছে— ১ নম্বর আসামি মো. গোলাম রসুল শিহাব এবং ৪ নম্বর আসামি মো. সাগর ফকির এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার কথা এবং খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিনের নির্দেশে এটি ঘটানোর কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। তারা স্বেচ্ছায় আদালতের কাছে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে ইচ্ছুক। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা একান্ত প্রয়োজন।
প্রসঙ্গত, গত রোববার রাতে শহীদ মিনারে হত্যা করা হয় ২৫ বছর বয়সি শেখ বোরহানুদ্দীন কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে। এ ঘটনায় তার বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী তরিকুল ইসলাম খোকন গত সোমবার মামলা দায়ের করেন। খোকন মামলায় অভিযোগ করেন, রাকিব মোটরসাইকেলে করে রবিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যান। মোটরসাইকেল পার্কিং করা মাত্রই রাকিবকে গুলি করে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত অচেনা ব্যক্তি। রাকিব রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পরে গেলে অচেনা ৫/৬ জন তাকে ছুরি দিয়ে কোপায়। মৃত ভেবে তারা চলে যায়। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নেয়। পরে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন।
What's Your Reaction?