শিশু আতিকা হত্যা, প্রধান আসামি নাঈম গ্রেপ্তার

মানিকগঞ্জে শিশু আতিকা হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাঈমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর থানার ওসি ইকরাম হোসেন। হত্যার ঘটনায় এদিন নিহত শিশুর মা আরিফা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।  মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বনপারিল গ্রামে একইদিনে শিশু আতিকাসহ তিন হত্যাকান্ডের ঘটনার মুল অভিযুক্ত কিশোর নাঈমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে আতিকার কানের দুল। গ্রেপ্তার হয়েছেন স্বর্নের দোকানদার নিত্য কর্মকার।   মামলায় এক নম্বর আসামি নাঈম ছাড়া অন্য ৪ আসামিরা হলেন- নাঈমের বাবা পান্নু মিয়া (৪৫), তার চাচা ফজলু মিয়া (৩০), ভাই নাজমুল হোসেন (২৪) ও একই গ্রামের মো. রনি (২২)।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বনপারিল গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে নিখোঁজ হয় ৭ বছর বয়সী আতিকা। পরে গতকাল শুক্রবার তার মরদেহ পাওয়া যায় বাড়ির কাছের একটি ভুট্টা ক্ষেতে। এ ঘটনায় গ্রামবাসী আতিকা হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাঈমের বাবা ও চাচাকে গণপিটুনি দিলে তারা নিহত হন। আহত হন তার ভাই নাজমুল। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল নাঈম। পুলিশ সূত্রে জা

শিশু আতিকা হত্যা, প্রধান আসামি নাঈম গ্রেপ্তার
মানিকগঞ্জে শিশু আতিকা হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাঈমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর থানার ওসি ইকরাম হোসেন। হত্যার ঘটনায় এদিন নিহত শিশুর মা আরিফা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।  মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বনপারিল গ্রামে একইদিনে শিশু আতিকাসহ তিন হত্যাকান্ডের ঘটনার মুল অভিযুক্ত কিশোর নাঈমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে আতিকার কানের দুল। গ্রেপ্তার হয়েছেন স্বর্নের দোকানদার নিত্য কর্মকার।   মামলায় এক নম্বর আসামি নাঈম ছাড়া অন্য ৪ আসামিরা হলেন- নাঈমের বাবা পান্নু মিয়া (৪৫), তার চাচা ফজলু মিয়া (৩০), ভাই নাজমুল হোসেন (২৪) ও একই গ্রামের মো. রনি (২২)।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বনপারিল গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে নিখোঁজ হয় ৭ বছর বয়সী আতিকা। পরে গতকাল শুক্রবার তার মরদেহ পাওয়া যায় বাড়ির কাছের একটি ভুট্টা ক্ষেতে। এ ঘটনায় গ্রামবাসী আতিকা হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাঈমের বাবা ও চাচাকে গণপিটুনি দিলে তারা নিহত হন। আহত হন তার ভাই নাজমুল। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল নাঈম। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার নিহত শিশু আতিকা এবং পান্নু ও ফজলুর লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পরে সন্ধ্যায় শিশু আতিকার লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এশার নামাজের পর জানাজা শেষে বনপারিল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে শিশুটির লাশ দাফন করা হয়। পরের দিন শনিবার দুপুরে গনপিটুনিতে নিহত দুই ভাই পান্নু ও ফজলুর লাশ হস্তান্তর করা হয়। শনিবার বিকেলে একই কবরস্থানে শিশুর কবরের পাশেই তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি ইকরাম হোসেন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে নবাবগঞ্জ এলাকা থেকে অভিযুক্ত নাঈমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ভাড়ারিয়া বাজার থেকে নিহত আতিকার কানের দুল উদ্ধার করা হয়। স্বর্ণের দোকানদার নিত্য কর্মকার ৯ হাজার টাকা দিয়ে ওই কানের দুল কিনেছিল। চোরাই স্বর্ন ক্রয়ের ঘটনায় দোকানদার নিত্যা কর্মকারকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  তিনি আরও বলেন, নাঈমকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কিশোর আদালতে তোলা হবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাঈম স্বীকার করেছে যে- সে আতিকার কানের দুল নেওয়ার জন্য এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সেই সঙ্গে গণপিটুনিতে নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে বলে জানান তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow