শেরপুরে প্রসূতির মৃত্যুর পর অভিযান, বেসরকারি হাসপাতাল সিলগালা

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে সিজারিয়ান অপারেশনের পর প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনা কেন্দ্র করে ‘মায়ান জেনারেল হাসপাতাল’ নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিক সিলগালা করে দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত। হাসপাতালটিতে স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই সিজারিয়ান অপারেশনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা দেওয়া হতো বলে জানা গেছে। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে শহরের উত্তরবাজার এলাকায় অবস্থিত হাসপাতালটিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহীন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন এবং ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হুমায়ন আহমেদ নূরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। জানাজায়, নির্লব হাসান মিন্টু নামে এক ব্যক্তি প্রায় তিন মাস ধরে শহরের উত্তর বাজারের একটি ভাড়া ভবনে ‘মায়ান জেনারেল হাসপাতাল’ নামে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছিলেন। অনুমোদন না থাকলেও সেখানে সিজারিয়ান অপারেশনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। পরে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে অভিযান চালিয়ে হাসপাতালটি সিলগাল

শেরপুরে প্রসূতির মৃত্যুর পর অভিযান, বেসরকারি হাসপাতাল সিলগালা

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে সিজারিয়ান অপারেশনের পর প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনা কেন্দ্র করে ‘মায়ান জেনারেল হাসপাতাল’ নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিক সিলগালা করে দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত। হাসপাতালটিতে স্বাস্থ্য বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই সিজারিয়ান অপারেশনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা দেওয়া হতো বলে জানা গেছে।

রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে শহরের উত্তরবাজার এলাকায় অবস্থিত হাসপাতালটিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহীন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন এবং ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হুমায়ন আহমেদ নূরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জানাজায়, নির্লব হাসান মিন্টু নামে এক ব্যক্তি প্রায় তিন মাস ধরে শহরের উত্তর বাজারের একটি ভাড়া ভবনে ‘মায়ান জেনারেল হাসপাতাল’ নামে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে আসছিলেন। অনুমোদন না থাকলেও সেখানে সিজারিয়ান অপারেশনসহ বিভিন্ন চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। পরে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে অভিযান চালিয়ে হাসপাতালটি সিলগালা করে।

এর আগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে আকলিমা বেগম (৩৬) নামে এক প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। অপারেশনের কিছুক্ষণ পরই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে প্রথমে ময়মনসিংহের প্রান্ত হাসপাতাল ও পরে নেক্সাস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসার কারণেই আকলিমা বেগমের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল থেকেই হাসপাতালটি বন্ধ রাখে।

হাসপাতালটির পরিচালক নির্লব হাসান মিন্টু বলেন, আমরা অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছি। এটি পেন্ডিং অবস্থায় আছে। তবে আমাদের হাসপাতাল থেকে কোনো রোগীকে ভুল চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরীন বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা হাসপাতালটিতে অভিযান চালাই। হাসপাতালটির অনুমোদনের কাগজ ছিলো না। ফলে হাসপাতাল সিলগালা করা হয়েছে। অনুমোদন পাওয়ার পর তারা পুনরায় তাদের কার্যক্রম চালাতে পারবেন।

সিভিল সার্জন মো. শাহীন বলেন, অব্যবস্থাপনা, অনুমোদন ছাড়া ও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জেলার যেসব বেসরকারি হাসপাতালগুলো ব্যবসা পরিচালনা করছে ক্রমান্বয়ে সেসব প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মো. নাঈম ইসলাম/এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow