শোলাকিয়া ঈদ-উল-আযহার জামাত সকাল ৯ টায়, থাকছে দুটি বিশেষ ট্রেন
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে এবার পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়। ১৯৯তম জামাতে ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় ঈদ জামাত উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মুসল্লিদের যাতায়াত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের সুবিধার্থে “শোলাকিয়া এক্সপ্রেস” নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ২ প্লাটুন বিজিবির পাশাপাশি র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। সভায় জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন বলেন, শোলাকিয়ার ঈদ জামাত দেশের অন্যতম বড় ধর্মীয় সমাবেশ। মুসল্লিরা যাতে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন, সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি যাতায়াত, ওজু, বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়েও প্র
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে এবার পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়। ১৯৯তম জামাতে ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ঈদ জামাত উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মুসল্লিদের যাতায়াত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও দূর-দূরান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের সুবিধার্থে “শোলাকিয়া এক্সপ্রেস” নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ২ প্লাটুন বিজিবির পাশাপাশি র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।
সভায় জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন বলেন, শোলাকিয়ার ঈদ জামাত দেশের অন্যতম বড় ধর্মীয় সমাবেশ। মুসল্লিরা যাতে নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পারেন, সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি যাতায়াত, ওজু, বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, শোলাকিয়ার ঐতিহ্য ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। এতে উপস্থিত ছিলেন শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
What's Your Reaction?