সমকামিতায় অভিযুক্ত ঢাবি শিক্ষার্থীকে থানা থেকে নিজ জিম্মায় নিলেন উর্দু বিভাগের শিক্ষক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উর্দু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও হল প্রাধ্যক্ষ ড. হাফসা আক্তার শাহবাগ থানায় আটক সমকামিতায় অভিযুক্ত ওই বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিনুর রেজাকে লিখিত জিম্মানামার মাধ্যমে নিজ জিম্মায় নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলে বহিরাগত এক চাকরিজীবীকে সমকামিতার উদ্দেশ্যে নিজ হলে ডেকে নিয়ে এলে শিক্ষার্থীদের হাতে তিনি ধরা পড়েন। পরে তাকে প্রশাসনের মাধ্যমে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়। জিম্মানামায় হাফসা আক্তার উল্লেখ করেন, উর্দু বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মাহিন রেজাকে (সেশন: ২০২২-২৩) শাহবাগ থানা পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার খবর পেয়ে তিনি থানায় যান। পরে শাহবাগ থানা পুলিশ কর্তৃক জিম্মানামা গ্রহণের শর্তে শিক্ষার্থীকে নিজের জিম্মায় গ্রহণ করেন। লিখিত জিম্মানামায় হাফসা আক্তার বলেন, তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় শিক্ষার্থীকে জিম্মায় গ্রহণ করেছেন এবং ভবিষ্যতে শাহবাগ থানা পুলিশ যখনই প্রয়োজন মনে করবে, তখনই তাকে থানায় হাজির করবেন। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ধরনের ভয়ভীতি, চাপ বা প্রলোভনের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং স্বেচ্ছায় ও সুস্থ মস্তিষ্কে তিনি শিক্ষার্থী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উর্দু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও হল প্রাধ্যক্ষ ড. হাফসা আক্তার শাহবাগ থানায় আটক সমকামিতায় অভিযুক্ত ওই বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিনুর রেজাকে লিখিত জিম্মানামার মাধ্যমে নিজ জিম্মায় নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলে বহিরাগত এক চাকরিজীবীকে সমকামিতার উদ্দেশ্যে নিজ হলে ডেকে নিয়ে এলে শিক্ষার্থীদের হাতে তিনি ধরা পড়েন। পরে তাকে প্রশাসনের মাধ্যমে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।
জিম্মানামায় হাফসা আক্তার উল্লেখ করেন, উর্দু বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মাহিন রেজাকে (সেশন: ২০২২-২৩) শাহবাগ থানা পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার খবর পেয়ে তিনি থানায় যান। পরে শাহবাগ থানা পুলিশ কর্তৃক জিম্মানামা গ্রহণের শর্তে শিক্ষার্থীকে নিজের জিম্মায় গ্রহণ করেন।
লিখিত জিম্মানামায় হাফসা আক্তার বলেন, তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় শিক্ষার্থীকে জিম্মায় গ্রহণ করেছেন এবং ভবিষ্যতে শাহবাগ থানা পুলিশ যখনই প্রয়োজন মনে করবে, তখনই তাকে থানায় হাজির করবেন।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো ধরনের ভয়ভীতি, চাপ বা প্রলোভনের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং স্বেচ্ছায় ও সুস্থ মস্তিষ্কে তিনি শিক্ষার্থীকে নিজের জিম্মায় গ্রহণ করেছেন এবং এ মর্মে স্বাক্ষর করেছেন।
জিম্মানামা অনুযায়ী, এর সাক্ষী হিসেবে সহকারী প্রক্টর ড. মো. রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষর করেন।
What's Your Reaction?