সমালোচনার মুখে নতুন আর্থ এআই টুল প্রত্যাহার করল গুগল
ভুয়া ছবি ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির আশঙ্কায় নতুন আর্থ এআই ফিচার সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করেছে গুগল। ফিচারটি চালুর দুই দিনেরও কম সময়ের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেন, এই টুল ব্যবহার করে বাস্তব স্যাটেলাইট ছবির ওপর কৃত্রিমভাবে ভুয়া দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব, যা সহজেই ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিতে পারে। নতুন ফিচারটিতে ব্যবহারকারীরা লিখিত নির্দেশনা (টেক্সট প্রম্পট) দিয়ে বাস্তব স্যাটেলাইট ছবির ওপর বিভিন্ন কাল্পনিক ঘটনা যুক্ত করতে পারতেন। পরে সেই ছবিগুলো ডাউনলোড করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ারও করা যেত। বিবিসির পরীক্ষায় টুলটি আইফেল টাওয়ার ধসে পড়া, মিসরের গিজার মহাপিরামিডের পাশে বিশাল গর্ত এবং ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রুশ ট্যাংক অবস্থানের মতো সম্পূর্ণ ভুয়া ছবি তৈরি করতে সক্ষম হয়। সমালোচনার মুখে গুগল জানায়, কিছু ব্যবহারকারী এমন ছবি তৈরি ও শেয়ার করেছেন, যা তাদের নীতিমালা লঙ্ঘন করতে পারে। তাই আরও শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ফিচারটি বন্ধ রাখা হয়েছে। গুগলের দাবি, তাদের এআই দিয়ে তৈরি সব ছবিতে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক থাকে এবং জেমিনি বা গুগল লেন্স
ভুয়া ছবি ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরির আশঙ্কায় নতুন আর্থ এআই ফিচার সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করেছে গুগল। ফিচারটি চালুর দুই দিনেরও কম সময়ের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেন, এই টুল ব্যবহার করে বাস্তব স্যাটেলাইট ছবির ওপর কৃত্রিমভাবে ভুয়া দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব, যা সহজেই ভুল তথ্য ছড়িয়ে দিতে পারে।
নতুন ফিচারটিতে ব্যবহারকারীরা লিখিত নির্দেশনা (টেক্সট প্রম্পট) দিয়ে বাস্তব স্যাটেলাইট ছবির ওপর বিভিন্ন কাল্পনিক ঘটনা যুক্ত করতে পারতেন। পরে সেই ছবিগুলো ডাউনলোড করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ারও করা যেত।
বিবিসির পরীক্ষায় টুলটি আইফেল টাওয়ার ধসে পড়া, মিসরের গিজার মহাপিরামিডের পাশে বিশাল গর্ত এবং ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রুশ ট্যাংক অবস্থানের মতো সম্পূর্ণ ভুয়া ছবি তৈরি করতে সক্ষম হয়।
সমালোচনার মুখে গুগল জানায়, কিছু ব্যবহারকারী এমন ছবি তৈরি ও শেয়ার করেছেন, যা তাদের নীতিমালা লঙ্ঘন করতে পারে। তাই আরও শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ফিচারটি বন্ধ রাখা হয়েছে।
গুগলের দাবি, তাদের এআই দিয়ে তৈরি সব ছবিতে অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক থাকে এবং জেমিনি বা গুগল লেন্স দিয়ে সেগুলো শনাক্ত করা সম্ভব। তবে বিবিসির ভেরিফাইয়ে দেখা গেছে, কিছু ক্ষেত্রে এসব শনাক্তকরণ পদ্ধতিও ভুল করেছে।
যুদ্ধ বা সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে এ ধরনের ভুয়া স্যাটেলাইট ছবি দ্রুত বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর মানুষের আস্থা কমিয়ে দিতে পারে।
গুগল জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরই ফিচারটি আবার চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?