সম্পূরক বৃত্তির বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষার্থীদের সম্পূরক (আবাসন) বৃত্তি বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গড়িমসির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সরকারের প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও বৃত্তির বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে বৃত্তিসম্পর্কিত নানা অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রঅধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিব বলেন, গত ১৫ বছরে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। ২০১৪ ও ২০১৬ সালের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য জমি বরাদ্দ হলেও ২০১৮ সালে কাজ শুরু হয়ে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। তিনি জানান, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবিতে আন্দোলনের পর তা বাস্তবায়ন হলেও এখনো নানা জটিলতা রয়ে গেছে। পূর্ণাঙ্গ আবাসন ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য সম্পূরক বৃত্তি চালুর দাবিতে তারা ‘লং মার্চ টু যমু
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিক্ষার্থীদের সম্পূরক (আবাসন) বৃত্তি বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গড়িমসির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সরকারের প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও বৃত্তির বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন দেখা যায়নি।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে বৃত্তিসম্পর্কিত নানা অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রঅধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিব বলেন, গত ১৫ বছরে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। ২০১৪ ও ২০১৬ সালের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য জমি বরাদ্দ হলেও ২০১৮ সালে কাজ শুরু হয়ে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।
তিনি জানান, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবিতে আন্দোলনের পর তা বাস্তবায়ন হলেও এখনো নানা জটিলতা রয়ে গেছে। পূর্ণাঙ্গ আবাসন ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য সম্পূরক বৃত্তি চালুর দাবিতে তারা ‘লং মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করেন। সে সময় সরকার নির্দিষ্ট অঙ্কের বৃত্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় বলে দাবি তাদের।
তবে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সরকারের প্রতিশ্রুত অর্থের পূর্ণ বরাদ্দ নাও পাওয়া যেতে পারে এবং কম অর্থ কিস্তিতে দেওয়া হতে পারে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, প্রশাসন শুরু থেকেই বিষয়টি স্পষ্টভাবে না জানিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করেছে। তাদের দাবি, বৃত্তির অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করে পূর্ণ আবাসন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর রাখতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সম্পূরক বৃত্তির বিষয়ে দ্রুত ও সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত না এলে আবারও আন্দোলন হবে। তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কার্যকরভাবে শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
এই বিষয়ে জকসু প্রতিনিধি রিয়াসাল রাকিব বলেন, উপাচার্য ও ট্রেজারারের উপস্থিতিতে শীর্ষ শিক্ষার্থী নেতৃত্বকে নিয়ে ইউজিসিতে বৈঠক করা হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে তারা জানায়, এক সপ্তাহের মধ্যে বৃত্তির তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং জানুয়ারি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা বৃত্তির টাকা হাতে পাবেন।
তিনি আরও বলেন, এই বক্তব্য বর্তমান ভিপি দিয়েছিলেন। আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে বিষয়টি নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়েছে। আমরা নিজেরা ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলাম না, তাই বিস্তারিত জানি না।
টিএইচকিউ/এমআইএইচএস/
What's Your Reaction?