সাইবারির দ্রুততম গোলে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে মরক্কো

বোস্টন স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে মরক্কো। শুরুতেই পাওয়া গোলের ধাক্কা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি স্কটল্যান্ড। ইসমায়েল সাইবারির গোলে ম্যাচের মাত্র ৭০ সেকেন্ডের মাথায় এগিয়ে যায় মরক্কো। এটি চলতি বিশ্বকাপে কোনো দলের দ্রুততম গোলের রেকর্ড। ব্রাহাম দিয়াদের দুর্দান্ত থ্রু বল ডান প্রান্তে পেয়ে যান ইসমায়েল সাইবারি। বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অসাধারণ এক ভলিতে স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক আনগুস গানকে পরাস্ত করেন তিনি। টানা দুই ম্যাচে এটি সাইবারির দ্বিতীয় বিশ্বকাপ গোল। গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি মরক্কো। দশম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে আজ্জেদিনে ওনাহির বাম দিক থেকে বাড়ানো কাট-ব্যাক স্কটল্যান্ডের বক্সে থাকা সতীর্থদের কাউকেই খুঁজে পায়নি। এর কিছুক্ষণ পর আবারও বিপদে পড়ে স্কটল্যান্ড। এবার গোলরক্ষক গান দ্রুত বেরিয়ে এসে আশরাফ হাকিমির শট ঠেকিয়ে দলকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেন। প্রথমার্ধের শেষ ১০ মিনিটে আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে মরক্কো। বিলাল এল খানোওস গোলের সামনে ভালো অবস্থানে থেকেও বল উড়িয়ে মারেন। এর আগে স্কটল্যান্ডের মিডফিল্ডার স্কট ম্যাকটমিনে বল হারানোর সময় ফাউলের শিকার হয়েছ

সাইবারির দ্রুততম গোলে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে মরক্কো

বোস্টন স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে মরক্কো। শুরুতেই পাওয়া গোলের ধাক্কা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি স্কটল্যান্ড।

ইসমায়েল সাইবারির গোলে ম্যাচের মাত্র ৭০ সেকেন্ডের মাথায় এগিয়ে যায় মরক্কো। এটি চলতি বিশ্বকাপে কোনো দলের দ্রুততম গোলের রেকর্ড।

ব্রাহাম দিয়াদের দুর্দান্ত থ্রু বল ডান প্রান্তে পেয়ে যান ইসমায়েল সাইবারি। বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অসাধারণ এক ভলিতে স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক আনগুস গানকে পরাস্ত করেন তিনি। টানা দুই ম্যাচে এটি সাইবারির দ্বিতীয় বিশ্বকাপ গোল।

গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি মরক্কো। দশম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে আজ্জেদিনে ওনাহির বাম দিক থেকে বাড়ানো কাট-ব্যাক স্কটল্যান্ডের বক্সে থাকা সতীর্থদের কাউকেই খুঁজে পায়নি।

এর কিছুক্ষণ পর আবারও বিপদে পড়ে স্কটল্যান্ড। এবার গোলরক্ষক গান দ্রুত বেরিয়ে এসে আশরাফ হাকিমির শট ঠেকিয়ে দলকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেন।

প্রথমার্ধের শেষ ১০ মিনিটে আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে মরক্কো। বিলাল এল খানোওস গোলের সামনে ভালো অবস্থানে থেকেও বল উড়িয়ে মারেন। এর আগে স্কটল্যান্ডের মিডফিল্ডার স্কট ম্যাকটমিনে বল হারানোর সময় ফাউলের শিকার হয়েছেন বলে দাবি ওঠে।

বিরতির ঠিক আগে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পেয়েছিল স্কটল্যান্ডও। মরক্কোর গোলমুখে টানা দুটি বিপজ্জনক আক্রমণের পর জন ম্যাকগিন ভলি শট নিলেও তা লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। ফলে গোল শোধের সুযোগ হাতছাড়া হয় তাদের।

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow