সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় আরো ৩ জনের মৃত্যু

সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে আরো দুই শিশু ও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফলে বিভাগজুড়ে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়। এছাড়া হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ বছরের এক নারী মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ২৭১ জন ভর্তি রয়েছেন। এ নিয়ে বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫ জনে। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগের পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম। মৃতরা হলেন, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুরশেদ আলমের ৮ মাস বয়সী ছেলে আয়ান আহমদ, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আব্দুল আউয়ালের ৩ বছর ৪ মাস বয়সী ছেলে মো. এহসানুল এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার নেপাল পালের স্ত্রী বর্ণা রাণী দাস। আয়ান আহমদের মৃত্যু হয়েছে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে। মো. এহসানুল মারা গেছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আর বর্ণা

সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় আরো ৩ জনের মৃত্যু

সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে আরো দুই শিশু ও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ফলে বিভাগজুড়ে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়। এছাড়া হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ বছরের এক নারী মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ২৭১ জন ভর্তি রয়েছেন। এ নিয়ে বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫ জনে।

বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগের পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম।

মৃতরা হলেন, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুরশেদ আলমের ৮ মাস বয়সী ছেলে আয়ান আহমদ, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আব্দুল আউয়ালের ৩ বছর ৪ মাস বয়সী ছেলে মো. এহসানুল এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার নেপাল পালের স্ত্রী বর্ণা রাণী দাস।

আয়ান আহমদের মৃত্যু হয়েছে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে। মো. এহসানুল মারা গেছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আর বর্ণা রাণী দাসের মৃত্যু হয়েছে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২৭ জনে।

সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯১ জন। এরমধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৫ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫১ জন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৫ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৭ জন ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৭১ জন। এরমধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১২১ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬২ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৬ জন, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন, বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৪১ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২১ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগেল সূত্রে আরো জানা যায়, নিশ্চিত হাম রোগীদের মধ্যে সিলেট জেলায় ২৭১ জন, হবিগঞ্জে ১০৩ জন (এরমধ্যে ২ জন রুবেলা), মৌলভীবাজারে ১০২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৩৫১ জন রয়েছেন। এ নিয়ে বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগের পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম কালবেলাকে বলেন, হাম উপসর্গ ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত আরো দুই শিশু ও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৯১ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে ১২৩ শিশু, এক নারী ও এক নার্সের মৃত্যু হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow