সেহরি খাওয়ার দোয়া
সেহরি একটি বরকতময় আমল। গুরুত্বপূর্ণ অনেক আমলের শুরুতেই নবীজি সা. থেকে বর্ণিত দোয়া রয়েছে। তবে সেহরির শুরুতে পড়ার মতো কোনো দোয়া বর্ণিত হয়নি। সেজন্য সেহরি খেতে নির্দিষ্ট কোনো দোয়া পড়ার দরকার নেই। অবশ্য যেকোনো খাবারের শুরুতে পড়ার জন্য রাসুল (সা.) থেকে বর্ণিত একটি দোয়া রয়েছে। সেহরির শুরুতে আমরা তা পাঠ করতে পারি। হাদিস শরিফে এসেছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা ‘বিসমিল্লাহি ওয়া বারাকাতিল্লাহ’ বলে খাবার গ্রহণ কর।’ {মুসতাদরাকে হাকেম : ৫/১৪৬, হাকেম ও হাফেজ জাহাবি (রাহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন।} অবশ্য ‘আলা’ শব্দ যুক্ত করে ‘বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারাকাতিল্লাহ’ এভাবেও পড়া যায়। দুআটি ইবনুল জাযারি (রাহ.) তার আলহিসনুল হাসিন গ্রন্থে (পৃ. ২৫৫) উল্লেখ করেছেন। তিনি আলমুসতাদরাক-এর উদ্ধৃতি দিয়েছেন। কিন্তু আমাদের কাছে আলমুসতাদরাক-এর যে সংস্করণটি রয়েছে, তাতে ‘আলা’ শব্দটি নেই। বরং শুধু বিসমিল্লাহি ওয়া বারাকাতিল্লাহ রয়েছে। অবশ্য কেউ যদি আলা শব্দটি যুক্ত করে বিসমিল্লাহি ওয়া আলাবারাকাতিল্লাহ পড়ে তাহলে সমস্যা নেই। কেননা এতে অর্থগত কোনো পরিবর্তন হয় না এবং ভাষার দিক থেকে আলা এর ব্যবহারকে ভুলও বলা যায়
সেহরি একটি বরকতময় আমল। গুরুত্বপূর্ণ অনেক আমলের শুরুতেই নবীজি সা. থেকে বর্ণিত দোয়া রয়েছে। তবে সেহরির শুরুতে পড়ার মতো কোনো দোয়া বর্ণিত হয়নি। সেজন্য সেহরি খেতে নির্দিষ্ট কোনো দোয়া পড়ার দরকার নেই। অবশ্য যেকোনো খাবারের শুরুতে পড়ার জন্য রাসুল (সা.) থেকে বর্ণিত একটি দোয়া রয়েছে। সেহরির শুরুতে আমরা তা পাঠ করতে পারি।
হাদিস শরিফে এসেছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা ‘বিসমিল্লাহি ওয়া বারাকাতিল্লাহ’ বলে খাবার গ্রহণ কর।’ {মুসতাদরাকে হাকেম : ৫/১৪৬, হাকেম ও হাফেজ জাহাবি (রাহ.) হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন।}
অবশ্য ‘আলা’ শব্দ যুক্ত করে ‘বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারাকাতিল্লাহ’ এভাবেও পড়া যায়। দুআটি ইবনুল জাযারি (রাহ.) তার আলহিসনুল হাসিন গ্রন্থে (পৃ. ২৫৫) উল্লেখ করেছেন। তিনি আলমুসতাদরাক-এর উদ্ধৃতি দিয়েছেন। কিন্তু আমাদের কাছে আলমুসতাদরাক-এর যে সংস্করণটি রয়েছে, তাতে ‘আলা’ শব্দটি নেই। বরং শুধু বিসমিল্লাহি ওয়া বারাকাতিল্লাহ রয়েছে।
অবশ্য কেউ যদি আলা শব্দটি যুক্ত করে বিসমিল্লাহি ওয়া আলাবারাকাতিল্লাহ পড়ে তাহলে সমস্যা নেই। কেননা এতে অর্থগত কোনো পরিবর্তন হয় না এবং ভাষার দিক থেকে আলা এর ব্যবহারকে ভুলও বলা যায় না। এক্ষেত্রে অর্থ হয়, আল্লাহর নামে ও তাঁর বরকতের ওপর ভরসা করে খানা শুরু করছি।
উল্লেখ্য, সেহরি খাওয়া রমজানের গুরুত্বপূর্ণ আমল। এর জন্য পেট ভরে খাওয়া জরুরি নয়। বরং এক ঢোক পানি পান করলেও সেহরির সুন্নত আদায় হবে। হাদিসে বলা হয়েছে, সেহরি খাওয়া বরকতপূর্ণ কাজ। সুতরাং তোমরা তা পরিত্যাগ করো না। এক ঢোক পানি দিয়ে হলেও সেহরি কর। কারণ যারা সেহরি খায়, আল্লাহ তায়ালা তাদের ওপর রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা তাদের জন্য রহমতের দোআ করেন।’
(মুসনাদে আহমদ ৩/১২; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ৯০১০; সহিহ ইবনে হিববান, হাদিস : ৩৪৭৬)
What's Your Reaction?