সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক মামুনুর রশীদের নিয়োগ বাতিলের দাবি
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে ডা. মামুনুর রশীদের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসক ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। বুধবার (২০ মে) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে যোগদান করতে এসে কলেজ শাখার সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদল নেতাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে যোগদান না করেই দ্রুত চলে যান। ছাত্রদল নেতাদের অভিযোগ, ডা. মামুনুর রশীদ নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাচিপের আজীবন সদস্য। পতিত স্বৈরাচারের এই দোসরের ধানমণ্ডি-৩২ এ পুষ্পস্তবক অর্পণের কিছু ছবিও হাতে এসেছে। জানা গেছে, ডা. মামুনুর রশীদ বুধবার সকাল এগারোটায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদানের উদ্দেশ্যে পরিচালকের কক্ষে উপস্থিত হন। এসময় তার সঙ্গে বেশ কিছু বহিরাগত লোকজনও পরিচালকের কক্ষে প্রবেশ করেন। যাদের মধ্যে একজন ৩২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক এবং জুলাই গণহত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিল। ডা. মামুনুর রশীদের পদায়ন বাতিলের দাবিতে তাৎক্ষণিক মিছিল করেন ইউনিট ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতারা। এসময় তারা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন- জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছরের মাথায় পতিত ফ্যাসিস্টে
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে ডা. মামুনুর রশীদের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন চিকিৎসক ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (২০ মে) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে যোগদান করতে এসে কলেজ শাখার সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদল নেতাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে যোগদান না করেই দ্রুত চলে যান।
ছাত্রদল নেতাদের অভিযোগ, ডা. মামুনুর রশীদ নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাচিপের আজীবন সদস্য। পতিত স্বৈরাচারের এই দোসরের ধানমণ্ডি-৩২ এ পুষ্পস্তবক অর্পণের কিছু ছবিও হাতে এসেছে।
জানা গেছে, ডা. মামুনুর রশীদ বুধবার সকাল এগারোটায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদানের উদ্দেশ্যে পরিচালকের কক্ষে উপস্থিত হন। এসময় তার সঙ্গে বেশ কিছু বহিরাগত লোকজনও পরিচালকের কক্ষে প্রবেশ করেন। যাদের মধ্যে একজন ৩২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক এবং জুলাই গণহত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিল।
ডা. মামুনুর রশীদের পদায়ন বাতিলের দাবিতে তাৎক্ষণিক মিছিল করেন ইউনিট ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতারা। এসময় তারা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন- জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছরের মাথায় পতিত ফ্যাসিস্টের দোসরদের এভাবে ফিরে আসা জুলাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানিরই নামান্তর।
ছাত্রজনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে স্বৈরাচারের কোনো দোসরের ঠাঁই হবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দ্রুত সময়ের মধ্যে এই পদায়ন বাতিলের দাবি জানান উপস্থিত চিকিৎসক ও ছাত্রদল নেতারা।
What's Your Reaction?