স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
বরিশালের বাকেরগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে জীবন নন্দ হালদার নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রাকিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জীবন নন্দ হালদার ওরফে সুমন হালদার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানাধীন দত্তপাড়া এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার পর তাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী আজিবুর রহমান বলেন, মামলার অন্য আসামি মোহাম্মদ নিজামুল হাসানকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
মামলার নথির বরাতে তিনি আরও বলেন, ২০১২ সালের ২১ আগস্ট বাকেরগঞ্জ উপজেলার স্কুলছাত্রী (১৩) বরিশালে যায়। এ সময় পরিচয় হয় আসামি জীবন নন্দ হালদারের সঙ্গে। পরে কিশোরীকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকার তুহিন বোডিং নামের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে জীবন নন্দ। পরে কিশোরী হোটেল কক্ষ থেকে বাহিরে বের হয়ে কান্ন
বরিশালের বাকেরগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে জীবন নন্দ হালদার নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রাকিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জীবন নন্দ হালদার ওরফে সুমন হালদার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানাধীন দত্তপাড়া এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার পর তাকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী আজিবুর রহমান বলেন, মামলার অন্য আসামি মোহাম্মদ নিজামুল হাসানকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
মামলার নথির বরাতে তিনি আরও বলেন, ২০১২ সালের ২১ আগস্ট বাকেরগঞ্জ উপজেলার স্কুলছাত্রী (১৩) বরিশালে যায়। এ সময় পরিচয় হয় আসামি জীবন নন্দ হালদারের সঙ্গে। পরে কিশোরীকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকার তুহিন বোডিং নামের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করে জীবন নন্দ। পরে কিশোরী হোটেল কক্ষ থেকে বাহিরে বের হয়ে কান্না করে। তখন স্থানীয় জীবনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
পরে কিশোরীর মা কুলসুম বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় দুজনকে অভিযুক্ত করে ধর্ষণ মামলা করেন। ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মডেল থানার এসআই নুরুল আলম তালুকদার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ঘটনার ১৪ বছর পর মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করেন।