স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বেঁধে রেখে সঙ্গে থাকা আরেক নবম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছেন সাত শ্রমিক। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার চারজন হলেন— মো. আবু সৈয়দ (১৫), মো. মানিক ইসলাম (২০), মো. আবদুর রহিম (১৮) ও মো. রাকিব (২০)। জানা গেছে, দুই কিশোরী পাহাড়ি এলাকায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ঘুরতে বের হয়। অভিযুক্ত শ্রমিকদের মধ্যে একজন তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে অন্য ছয়জনকে মুঠোফোনে ডেকে আনে। পরে দুই কিশোরীকে তুলে নিয়ে একজনকে বেঁধে রেখে অন্যজনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ভুক্তভোগীকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে মুখ চেপে ধরে।  মানুষের আনাগোনা টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় দুই কিশোরী বাড়িতে এলে পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে সন্ধ্যায় অভিযুক্তদের খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরবর্তীতে সাতকানিয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম ছিদ্দিকি বলেন, সাতজন স্থানীয় প্রজেক্টের কাজের শ্রমিক কর্তৃক

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে বেঁধে রেখে সঙ্গে থাকা আরেক নবম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছেন সাত শ্রমিক।

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার চারজন হলেন— মো. আবু সৈয়দ (১৫), মো. মানিক ইসলাম (২০), মো. আবদুর রহিম (১৮) ও মো. রাকিব (২০)।

জানা গেছে, দুই কিশোরী পাহাড়ি এলাকায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ঘুরতে বের হয়। অভিযুক্ত শ্রমিকদের মধ্যে একজন তাদের গতিবিধি লক্ষ্য করে অন্য ছয়জনকে মুঠোফোনে ডেকে আনে। পরে দুই কিশোরীকে তুলে নিয়ে একজনকে বেঁধে রেখে অন্যজনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ভুক্তভোগীকে হত্যার উদ্দেশ্যে প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে মুখ চেপে ধরে। 

মানুষের আনাগোনা টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় দুই কিশোরী বাড়িতে এলে পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে সন্ধ্যায় অভিযুক্তদের খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরবর্তীতে সাতকানিয়া থানা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম ছিদ্দিকি বলেন, সাতজন স্থানীয় প্রজেক্টের কাজের শ্রমিক কর্তৃক নবম শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে স্থানীয়দের সহায়তায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে। 

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow