হবিগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে শৌলাগড় হাওরে বজ্রপাতে ফরাস মিয়া (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে গুরুতর অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের ছোট ভাকৈর গ্রামের পার্শ্ববর্তী শৌলাগড় হাওরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফরাস মিয়া ছোট ভাকৈর গ্রামের মৃত আব্দুল মতলিবের ছেলে। আহতরা হলেন একই গ্রামের সামছুল ইসলাম (২২), জায়েদ মিয়া (২৬) ও হাফিজুর রহমান (৫৫)। নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে ফরাস মিয়া নিজের ধানক্ষেত দেখতে হাওরে যান। একই সময় সামছুল ইসলাম, জায়েদ মিয়া ও হাফিজুর রহমান কৃষি কাজের উদ্দেশ্যে হাওরে ছিলেন। হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে তারা একটি ছনের ঘরে আশ্রয় নেন। এসময় আকস্মিক বজ্রপাতে ঘরের ভেতরে থাকা চারজনই আহত হন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার ফরাস মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এমএন/এএসএম

হবিগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে শৌলাগড় হাওরে বজ্রপাতে ফরাস মিয়া (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে গুরুতর অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বড় ভাকৈর (পূর্ব) ইউনিয়নের ছোট ভাকৈর গ্রামের পার্শ্ববর্তী শৌলাগড় হাওরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফরাস মিয়া ছোট ভাকৈর গ্রামের মৃত আব্দুল মতলিবের ছেলে। আহতরা হলেন একই গ্রামের সামছুল ইসলাম (২২), জায়েদ মিয়া (২৬) ও হাফিজুর রহমান (৫৫)।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে ফরাস মিয়া নিজের ধানক্ষেত দেখতে হাওরে যান। একই সময় সামছুল ইসলাম, জায়েদ মিয়া ও হাফিজুর রহমান কৃষি কাজের উদ্দেশ্যে হাওরে ছিলেন। হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে তারা একটি ছনের ঘরে আশ্রয় নেন। এসময় আকস্মিক বজ্রপাতে ঘরের ভেতরে থাকা চারজনই আহত হন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার ফরাস মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow