হরমুজ প্রণালি খুলতে উঠেপড়ে লেগেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা
হরমুজ প্রণালি আবার চালু করতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। মার্কিন বাহিনী হামলাকারী বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ইরানের নৌযান ও ড্রোন লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। খবর শাফাক নিউজের।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, মার্চের শুরু থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। মাইন, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযানের কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।
পেন্টাগনের এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন বিমান বাহিনীর জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, এ-১০ যুদ্ধবিমান এখন হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয়ভাবে অভিযান চালাচ্ছে। পাশাপাশি কিছু মিত্র দেশ অ্যাপাচি হেলিকপ্টার দিয়ে ড্রোন মোকাবিলা করছে।
মার্কিন এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকদিন ধরেই বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগে ইরানের কিছু নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। আরও বিমান মোতায়েন করে অভিযান জোরদার করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। তাই এই পথ বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়ে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মিত্র দেশগুলোকে
হরমুজ প্রণালি আবার চালু করতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। মার্কিন বাহিনী হামলাকারী বিমান ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ইরানের নৌযান ও ড্রোন লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। খবর শাফাক নিউজের।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, মার্চের শুরু থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। মাইন, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযানের কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।
পেন্টাগনের এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন বিমান বাহিনীর জেনারেল ড্যান কেইন বলেন, এ-১০ যুদ্ধবিমান এখন হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয়ভাবে অভিযান চালাচ্ছে। পাশাপাশি কিছু মিত্র দেশ অ্যাপাচি হেলিকপ্টার দিয়ে ড্রোন মোকাবিলা করছে।
মার্কিন এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকদিন ধরেই বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগে ইরানের কিছু নৌযান ধ্বংস করা হয়েছে। আরও বিমান মোতায়েন করে অভিযান জোরদার করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। তাই এই পথ বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়ে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র মিত্র দেশগুলোকে এই সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানায়। ইতোমধ্যে ইউরোপের কয়েকটি দেশ ও জাপান যৌথভাবে নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।