২৫৭ রানে এগিয়ে প্রথম দিন শেষ করল বাংলাদেশ
প্রথম দিনের শেষ বিকেলে অন্তত একটি হলেও উইকেট লাভের জন্য মরিয়া হয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। নাজমুল হোসেন শান্ত তাই একজনকে ছাড়া বাকি সব বোলারকে দিয়েই চেষ্টা করালেন। কিন্তু শেষ বিকেলে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান সিলেট টেস্টের প্রথম দিন শেষ করল কোনো উইকেট না হারিয়ে। বাংলাদেশ ২৭৮ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার পর দিনের খেলা বাকি ছিল আরও ১৩ ওভার। তবে আম্পায়াররা এতদূর যাননি। পাকিস্তানের ইনিংসের ৬ ওভারের পরই প্রথম দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করা হয়। তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের করা এই ৬ ওভারে শান মাসুদের দল ২১ রান তুলেছে। টাইগারদের চেয়ে তারা এখনও পিছিয়ে ২৫৭ রানে। আগামীকাল রোববার ১৩ রান নিয়ে আজান আইওয়াস ও ৮ রান নিয়ে আবদুল্লাহ ফজল খেলতে নামবেন। বাংলাদেশের ইনিংসটি লিটন দাসময়। দলীয় ১০৬ রানে তিনি যখন ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন, তখন ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ কাঁপছিল। লিটন ২ রান করার পর দেখেন অন্যপ্রান্তে আর কোনো স্বীকৃত ব্যাটার নেই, বাংলাদেশ পরিণত হয় ধংসস্তূপে। সেখানে দাঁড়িয়েই টেলএন্ডারদের নিয়ে ১২৬ রানের ইনিংস খেলেছেন লিটন। টেস্টে এটা লিটনের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি, পাকিস্তানের ব
প্রথম দিনের শেষ বিকেলে অন্তত একটি হলেও উইকেট লাভের জন্য মরিয়া হয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। নাজমুল হোসেন শান্ত তাই একজনকে ছাড়া বাকি সব বোলারকে দিয়েই চেষ্টা করালেন। কিন্তু শেষ বিকেলে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান সিলেট টেস্টের প্রথম দিন শেষ করল কোনো উইকেট না হারিয়ে।
বাংলাদেশ ২৭৮ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার পর দিনের খেলা বাকি ছিল আরও ১৩ ওভার। তবে আম্পায়াররা এতদূর যাননি। পাকিস্তানের ইনিংসের ৬ ওভারের পরই প্রথম দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করা হয়। তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের করা এই ৬ ওভারে শান মাসুদের দল ২১ রান তুলেছে। টাইগারদের চেয়ে তারা এখনও পিছিয়ে ২৫৭ রানে।
আগামীকাল রোববার ১৩ রান নিয়ে আজান আইওয়াস ও ৮ রান নিয়ে আবদুল্লাহ ফজল খেলতে নামবেন। বাংলাদেশের ইনিংসটি লিটন দাসময়। দলীয় ১০৬ রানে তিনি যখন ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন, তখন ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ কাঁপছিল। লিটন ২ রান করার পর দেখেন অন্যপ্রান্তে আর কোনো স্বীকৃত ব্যাটার নেই, বাংলাদেশ পরিণত হয় ধংসস্তূপে। সেখানে দাঁড়িয়েই টেলএন্ডারদের নিয়ে ১২৬ রানের ইনিংস খেলেছেন লিটন।
টেস্টে এটা লিটনের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি, পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয়। তার দুই বছর আগে করা পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরিটিও প্রায় এমন বিপর্যয়ের মুখে। রাওয়ালপিন্ডিতে সেদিন ২৬ রানে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। এরপর ১৩৮ রানের ইনিংসে লিটন টাইগারদের লড়াইয়ে রেখেছিলেন। সেই ম্যাচ বাংলাদেশ জিতে ৬ উইকেটে।
লিটনের হাফসেঞ্চুরির আগেই বাংলাদেশ আরেকটি উইকেট হারিয়ে ফেলে। সাজিদ খানকে উইকেট দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ১৬ রান করা তাইজুল ইসলাম। তাসকিনকে আগলে রেখে লিটন যখন ৯৩ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তখনও সেঞ্চুরি থেকে বহুদূরে। এরমধ্যে তাসকিন শাহজাদকে সজোরে হাঁকাতে গিয়ে সালমান আগাকে ক্যাচ দিয়ে ৭ রানে ফেরেন। তখন লিটনের নামের পাশে ৭৫ রান। নিজের মোকাবিলা করা পরের ১৯ বলের মধ্যে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।
১৫৯ বলের ইনিংসে ১৬টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকানো লিটন আউট হন হাসান আলীকে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে, সীমানার কাছে তার ক্যাচ ধরেন আবদুল্লাহ ফজল। শরিফুল শেষ পর্যন্ত ১২ রানে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তানের হয়ে শাহজাদ নেন ৪ উইকেট, মোহাম্মদ আব্বাস ৩টি।
What's Your Reaction?