৫০ লাখ টাকা দিয়েও লিবিয়ায় দালাল চক্রের হাতে প্রাণ গেল যুবকের

লিবিয়ায় মাফিয়া চক্রের নির্মম নির্যাতনে আবারও প্রাণ গেল মাদারীপুরে ডাসার জহিরুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবকের। ৫০ লাখ টাকা দিয়েও প্রাণে বাঁচতে পারেননি তিনি।  সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে পরিবারের কাছে খবর আসে নির্যাতনে জহিরুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। নিহত জহিরুল উপজেলার দক্ষিণ ধূয়াসার গ্রামের সামছু আকনের ছেলে। তার স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রয়েছে।  জানা গেছে, উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে তাকে নেওয়া হয়েছিল লিবিয়ায়, পরে ইতালি পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। তবে পরিবারের অভিযোগ-দালাল চক্রের ফাঁদে বন্দি অবস্থায় নির্যাতনে মারা যান তিনি। প্রায় পাঁচ মাস আগে একই এলাকার দালাল জাকির মাতুব্বরের মাধ্যমে লিবিয়ায় যান জহিরুল।  পরিবারের দাবি, ১৭ দিনের মধ্যে ইতালি পাঠানোর কথা থাকলেও সেখানে পৌঁছে মাফিয়া চক্রের হাতে বন্দি হন জহিরুল। গত দুই মাস ধরে বন্দিশালায় রেখে তার ওপর চালানো হয় নির্যাতন। ভিডিও কলে মুক্তির নামে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে পরিবারের কাছ থেকে আদায় করা হয় মোটা অঙ্কের টাকা-প্রথমে ২৫ লাখ, পরে দফায় দফায় আরও ২৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়। মোট ৫০ লাখ টাকা নেওয়া হয় পরিবারের কাছ থেকে।

৫০ লাখ টাকা দিয়েও লিবিয়ায় দালাল চক্রের হাতে প্রাণ গেল যুবকের

লিবিয়ায় মাফিয়া চক্রের নির্মম নির্যাতনে আবারও প্রাণ গেল মাদারীপুরে ডাসার জহিরুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবকের। ৫০ লাখ টাকা দিয়েও প্রাণে বাঁচতে পারেননি তিনি। 

সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে পরিবারের কাছে খবর আসে নির্যাতনে জহিরুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।

নিহত জহিরুল উপজেলার দক্ষিণ ধূয়াসার গ্রামের সামছু আকনের ছেলে। তার স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। 

জানা গেছে, উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে তাকে নেওয়া হয়েছিল লিবিয়ায়, পরে ইতালি পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। তবে পরিবারের অভিযোগ-দালাল চক্রের ফাঁদে বন্দি অবস্থায় নির্যাতনে মারা যান তিনি। প্রায় পাঁচ মাস আগে একই এলাকার দালাল জাকির মাতুব্বরের মাধ্যমে লিবিয়ায় যান জহিরুল। 

পরিবারের দাবি, ১৭ দিনের মধ্যে ইতালি পাঠানোর কথা থাকলেও সেখানে পৌঁছে মাফিয়া চক্রের হাতে বন্দি হন জহিরুল। গত দুই মাস ধরে বন্দিশালায় রেখে তার ওপর চালানো হয় নির্যাতন। ভিডিও কলে মুক্তির নামে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে পরিবারের কাছ থেকে আদায় করা হয় মোটা অঙ্কের টাকা-প্রথমে ২৫ লাখ, পরে দফায় দফায় আরও ২৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়। মোট ৫০ লাখ টাকা নেওয়া হয় পরিবারের কাছ থেকে। 

পরিবারের অভিযোগ, ইতালি প্রবাসী জাকির মাতুব্বর এই চক্রের মূল হোতা। তার নির্দেশেই লিবিয়ার বন্দি শালায় টাকার জন্য নির্যাতন চালায়, তার সহযোগী লিবিয়ায় অবস্থানরত মাফিয়া তারেক মন্ডল। তারেকের নেতৃত্বে নির্যাতনে জহিরুর ইসলামের মৃত্যু হয়। 

এদিকে স্বজন হারিয়ে পাগল প্রায় পুরো পরিবার। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবার ও এলাকাবাসী। 

নিহত জহিরুলের স্ত্রী বলেন, দালাল জাকিরের কথায় লিবিয়ার মাফিয়া তারেক আমার স্বামীকে টাকার জন্য অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে মেরে ফেলছে। আমি দালাল ও মাফিয়ার ফাঁসি চাই।

মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মামলা হলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। 
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow