৬৭ জনের মৃত্যুর পর মরক্কোতে ফিরলেন ৬৯ হাজার, তবুও থামছে না ঢল
স্পেন-শাসিত সিউটায় গণঅনুপ্রবেশের পর গত ৩০ ঘণ্টায় প্রায় ৬৯ হাজার ৫০০ অভিবাসী মরক্কোতে ফিরে গেছেন। স্পেনের বার্তা সংস্থা ইএফইকে দেশটির পুলিশ সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। পাশাপাশি নতুন অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বায়ুচালিত একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক বসানো হচ্ছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যার মধ্যে গণঅনুপ্রবেশের আগেই সিউটায় প্রবেশ করা ব্যক্তিরাও থাকতে পারেন। এছাড়া কেউ কেউ একাধিকবার সিউটায় প্রবেশ করে আবার মরক্কোতে ফিরে গেছেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে শনিবার সিউটার তারাখাল সীমান্তের ব্রেকওয়াটারে নতুন নিরাপত্তা প্রতিবন্ধক স্থাপনের কাজ শুরু করেছে স্পেন।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ব্যবস্থায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ বায়ুচালিত একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক বসানো হচ্ছে, যা পানির ওপর ৩০ থেকে ৭০ সেন্টিমিটার এবং পানির নিচে প্রায় এক মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এর সঙ্গে স্প্যানিশ নৌবাহিনীর সরবরাহ করা নোঙরযুক্ত ভাসমান বয়া যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্ত টহলে নিয়োজিত সিভিল গার্ডের নৌযান চলাচলের জন্য একটি আলাদা পথও রাখা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবারের গণঅনুপ্রবেশের পর স্পেন ও মরক্কো অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠান
স্পেন-শাসিত সিউটায় গণঅনুপ্রবেশের পর গত ৩০ ঘণ্টায় প্রায় ৬৯ হাজার ৫০০ অভিবাসী মরক্কোতে ফিরে গেছেন। স্পেনের বার্তা সংস্থা ইএফইকে দেশটির পুলিশ সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। পাশাপাশি নতুন অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বায়ুচালিত একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক বসানো হচ্ছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যার মধ্যে গণঅনুপ্রবেশের আগেই সিউটায় প্রবেশ করা ব্যক্তিরাও থাকতে পারেন। এছাড়া কেউ কেউ একাধিকবার সিউটায় প্রবেশ করে আবার মরক্কোতে ফিরে গেছেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে শনিবার সিউটার তারাখাল সীমান্তের ব্রেকওয়াটারে নতুন নিরাপত্তা প্রতিবন্ধক স্থাপনের কাজ শুরু করেছে স্পেন।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ব্যবস্থায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ বায়ুচালিত একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক বসানো হচ্ছে, যা পানির ওপর ৩০ থেকে ৭০ সেন্টিমিটার এবং পানির নিচে প্রায় এক মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এর সঙ্গে স্প্যানিশ নৌবাহিনীর সরবরাহ করা নোঙরযুক্ত ভাসমান বয়া যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্ত টহলে নিয়োজিত সিভিল গার্ডের নৌযান চলাচলের জন্য একটি আলাদা পথও রাখা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবারের গণঅনুপ্রবেশের পর স্পেন ও মরক্কো অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করলে অনেকেই সীমান্তে ফিরে যান। এছাড়া সিউটায় খাদ্য, দোকানপাট ও অন্যান্য মৌলিক সেবার সীমিত সুযোগ থাকায়ও অনেকে বাস্তবতা বুঝে মরক্কোতে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মরক্কো থেকে স্পেনে পৌঁছানোর চেষ্টাকালে অভিবাসীদের মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া সমুদ্রে আরও কয়েকজন ডুবে যাওয়ার শঙ্কাও করা হচ্ছে।