অটোনমিক নিউরোপ্যাথি হলে করণীয় কী?
বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি একটি জটিল স্নায়বিক সমস্যার কথাও উল্লেখ করেছেন। যার নাম ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’। ফলে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এই রোগ হলে করণীয় কী? মূলত অটোনমিক নিউরোপ্যাথি হলে মূল রোগ নিরাময় ও উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের জন্য রক্তে শর্করার মাত্রা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা মূল কারণের চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি লক্ষণ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস ও চলাফেরায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। আরও পড়ুন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের কারণ যে বিরল রোগ, কী এই অটোনমিক নিউরোপ্যাথি করণীয় ও জীবনযাপন ডায়াবেটিস থাকলে সুগার সর্বদা নিয়ন্ত্রিত সীমার মধ্যে রাখতে হবে। হজমের সমস্যা এড়াতে একসাথে বেশি না খেয়ে অল্প করে বারবার খাবার খেতে হবে। হঠাৎ মাথা ঘোরানো রোধ করতে বিছানা বা চেয়ার থেকে ধীরে ধীরে উঠতে হবে। শরীর হাইড্রেটেড রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারে লবণের পরিমাণ সামান্য বাড়াতে পারেন। আরও পড়ুন মাংস
বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি একটি জটিল স্নায়বিক সমস্যার কথাও উল্লেখ করেছেন। যার নাম ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’। ফলে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এই রোগ হলে করণীয় কী?
মূলত অটোনমিক নিউরোপ্যাথি হলে মূল রোগ নিরাময় ও উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের জন্য রক্তে শর্করার মাত্রা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা, জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা মূল কারণের চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি লক্ষণ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস ও চলাফেরায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
করণীয় ও জীবনযাপন
- ডায়াবেটিস থাকলে সুগার সর্বদা নিয়ন্ত্রিত সীমার মধ্যে রাখতে হবে।
- হজমের সমস্যা এড়াতে একসাথে বেশি না খেয়ে অল্প করে বারবার খাবার খেতে হবে।
- হঠাৎ মাথা ঘোরানো রোধ করতে বিছানা বা চেয়ার থেকে ধীরে ধীরে উঠতে হবে।
- শরীর হাইড্রেটেড রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
- চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবারে লবণের পরিমাণ সামান্য বাড়াতে পারেন।

মাংসের রং সবুজ হলে খাওয়া কি নিরাপদ
অন্যান্য পদক্ষেপ
- কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া বা রক্তচাপের ওঠানামার জন্য চিকিৎসকের দেওয়া নির্দিষ্ট ওষুধ নিয়ম মেনে সেবন করতে হবে।
- রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখতে ও পায়ে রক্ত জমে যাওয়া রোধ করতে কম্প্রেশন স্টকংস পরতে পারেন।
- স্নায়ুর ক্ষতি বাড়ার ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থেকে শারীরিক পরীক্ষা করাতে পারেন।
এসইউ
What's Your Reaction?
