অব্যবস্থাপনা দূর করে জনকল্যাণকর রাষ্ট্র গড়াই সরকারের লক্ষ্য: হুইপ নুরুদ্দিন অপু

জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেছেন, দেশের অব্যবস্থাপনা দূর করে একটি জনকল্যাণকর রাষ্ট্র গড়াই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করছেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করছেন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন। শনিবার (১ আগস্ট) ভেদরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চলমান সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন শেষে সিড্যা এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি। মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, সারাদেশে যে অব্যবস্থাপনা রয়েছে, তা দূর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে ঘুরে দেখছেন এবং সবার সঙ্গে বসে কাজ করছেন, যাতে দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা যায়। এ দেশকে একটি জনকল্যাণকর রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যেই তিনি কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নমূলক কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। মাঠপর্যায়ে উন্নয়ন কাজ স্বচক্ষে পরিদর্শন এবং মান যাচাইয়ের বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। জাতীয় সংসদের হু

অব্যবস্থাপনা দূর করে জনকল্যাণকর রাষ্ট্র গড়াই সরকারের লক্ষ্য: হুইপ নুরুদ্দিন অপু

জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেছেন, দেশের অব্যবস্থাপনা দূর করে একটি জনকল্যাণকর রাষ্ট্র গড়াই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করছেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করছেন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন।

শনিবার (১ আগস্ট) ভেদরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চলমান সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন শেষে সিড্যা এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, সারাদেশে যে অব্যবস্থাপনা রয়েছে, তা দূর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে ঘুরে দেখছেন এবং সবার সঙ্গে বসে কাজ করছেন, যাতে দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা যায়। এ দেশকে একটি জনকল্যাণকর রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যেই তিনি কাজ করছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নমূলক কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। মাঠপর্যায়ে উন্নয়ন কাজ স্বচক্ষে পরিদর্শন এবং মান যাচাইয়ের বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।

জাতীয় সংসদের হুইপ বলেন, গত ১৭ বছরে যে পরিমাণ অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছে, সেই অবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। উন্নয়ন কাজ এমনভাবে করতে হবে, যাতে আগামী ৫০ বছরেও ওই সড়কে বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন না পড়ে। আমি কাজ করতে এসেছি, বাটপারি করতে আসিনি। জনগণের টাকায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজ বরদাশত করা হবে না। যে কাজ হবে, তা টেকসই ও মানসম্মত হতে হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ঠিকাদার বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রাফেউল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী আবু নাইম নাবিল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন, কমিটির সদস্য জিল্লুর রহমান মধু, উজ্জ্বল শিকদার, রেজাউল করিম শ্যামল, আলমাস সরকার, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow