আকাশে হঠাৎ বিশাল উল্কাপিণ্ড, ‘ভেবেছিলাম প্লেনে আগুন লেগেছে’
নিউজিল্যান্ডের আকাশে মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে দুটি বিশাল উল্কাপিণ্ড দেখা গেছে। এই মহাজাগতিক ঘটনায় সাধারণ মানুষ যেমন মুগ্ধ হয়েছেন, তেমনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন অনেকে। গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ২০ মিনিটের একটু পর উত্তর দ্বীপের ওপর দিয়ে একটি বিশাল অগ্নিগোলক ছুটে যায়। এর আগে, গত রোববার সন্ধ্যায় দেশটির দক্ষিণ দ্বীপের আকাশেও এমন একটি উল্কাপিণ্ড দেখা গিয়েছিল। আরও পড়ুন ‘মরলে একসঙ্গে মরব’ / প্লেনের জানালা ভেঙে ছিটকে যাচ্ছিলেন স্বামী, পা ধরে বাঁচালেন স্ত্রী গাড়ির ড্যাশ ক্যাম, বাড়ির সিকিউরিটি ক্যামেরা এবং বিশেষ মেটিওর ক্যামেরায় এই ঘটনার দৃশ্য ধরা পড়েছে। উল্কাপিণ্ডের সঙ্গে বিশাল শব্দের কারণে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন লিখেছেন, তিনি এটি দেখে প্রথমে ভেবেছিলেন হয়তো প্লেনে আগুন লেগেছে। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, কমলা রঙের গোলকটির একটি বেগুনি লেজ ছিল এবং তা থেকে কালো ধোঁয়া বের হচ্ছিল। আবার অনেকে জানান, বিকট শব্দের কারণে এলাকার পাখিগুলো ভয়ে উড়ে যেতে শুরু করে এবং গরুগুলো পাগলের মতো ছোটাছুটি করতে থাকে। আরও পড়ুন প্রতিরাতে গভীর সমুদ্রে ঘটে বিস্ময়কর
নিউজিল্যান্ডের আকাশে মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে দুটি বিশাল উল্কাপিণ্ড দেখা গেছে। এই মহাজাগতিক ঘটনায় সাধারণ মানুষ যেমন মুগ্ধ হয়েছেন, তেমনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন অনেকে।
গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ১০টা ২০ মিনিটের একটু পর উত্তর দ্বীপের ওপর দিয়ে একটি বিশাল অগ্নিগোলক ছুটে যায়। এর আগে, গত রোববার সন্ধ্যায় দেশটির দক্ষিণ দ্বীপের আকাশেও এমন একটি উল্কাপিণ্ড দেখা গিয়েছিল।
গাড়ির ড্যাশ ক্যাম, বাড়ির সিকিউরিটি ক্যামেরা এবং বিশেষ মেটিওর ক্যামেরায় এই ঘটনার দৃশ্য ধরা পড়েছে।
উল্কাপিণ্ডের সঙ্গে বিশাল শব্দের কারণে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন লিখেছেন, তিনি এটি দেখে প্রথমে ভেবেছিলেন হয়তো প্লেনে আগুন লেগেছে।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, কমলা রঙের গোলকটির একটি বেগুনি লেজ ছিল এবং তা থেকে কালো ধোঁয়া বের হচ্ছিল। আবার অনেকে জানান, বিকট শব্দের কারণে এলাকার পাখিগুলো ভয়ে উড়ে যেতে শুরু করে এবং গরুগুলো পাগলের মতো ছোটাছুটি করতে থাকে।
‘ফায়ারবলস আওতারোয়া’ (Fireballs Aotearoa) নামে একটি সংগঠনের পরিচালক স্টিভ উইন-হ্যারিস জানান, তিনিও এই উল্কাপিণ্ডটি দেখেছেন। তিনি প্রথমে একে বজ্রপাত ভেবেছিলেন, কিন্তু পরে মানুষের সাক্ষ্য দেখে তার ভুল ভাঙে।
স্টিভ জানান, উল্কাপিণ্ড থেকে সনিক বুম বা বিকট শব্দ শোনা গেছে। অর্থাৎ এটি মাটির বেশ কাছাকাছি চলে এসেছিল।
এই সংগঠনের গবেষকরা এখন উত্তর দ্বীপের বাসিন্দাদের উল্কাপিণ্ডের অবশেষ বা উল্কাপিণ্ড (meteorite) খুঁজে পাওয়ার জন্য চোখ খোলা রাখতে বলেছেন।
গত ১৫০ বছরে নিউজিল্যান্ডে মাত্র ১০টি নিশ্চিত উল্কাপিণ্ড খুঁজে পাওয়া গেছে। দেশটির কম জনবহুল এলাকা, ঘন ও দুর্গম ভূখণ্ডের জন্য উল্কা খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। দেশজুড়ে প্রায় ২০০টি বিশেষ ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এছাড়া সিসিটিভি ও ড্যাশ ক্যামের সংখ্যা বাড়ায় ভবিষ্যতে উল্কাপিণ্ড খুঁজে পাওয়া আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
কেএএ/
What's Your Reaction?

