আদালত প্রাঙ্গণে চেম্বারে হামলার অভিযোগ, ফেসবুকে বিচার দাবি আইনজীবীর
ঢাকা আদালত প্রাঙ্গণে নিজের চেম্বারে হামলা, সহকর্মীদের মারধর এবং তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন (রাখি)। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেওয়া ওই পোস্টে তিনি ঘটনার বিচার দাবি করেন। ফেসবুক পোস্টে ফারজানা ইয়াসমিন লিখেছেন, ‘গতকাল কোর্টে আওয়ামী লীগের প্রোগ্রাম করেছি—এই অভিযোগ দিয়ে আমার চেম্বারে অতর্কিত আক্রমণ এবং চেম্বারের সদস্যদের গায়ে হাত তুলে কিল-ঘুষি মেরে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় হুমকি-ধামকি দিয়ে চেম্বার বন্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্টার বিচার চাই।’ তার দাবি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে তার চেম্বারে ক্লায়েন্টদের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগে বলা হয়, কয়েকজন আইনজীবী চেম্বারে প্রবেশ করে আগের দিনের একটি কালো ব্যাজ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন তোলেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে চেম্বারে থাকা কয়েকজন সহকর্মীকে মারধর করা হয়। অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন জাগো নিউজকে বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং চেম্বারের শাটারে লাথি মেরে চেম
ঢাকা আদালত প্রাঙ্গণে নিজের চেম্বারে হামলা, সহকর্মীদের মারধর এবং তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন (রাখি)। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেওয়া ওই পোস্টে তিনি ঘটনার বিচার দাবি করেন।
ফেসবুক পোস্টে ফারজানা ইয়াসমিন লিখেছেন, ‘গতকাল কোর্টে আওয়ামী লীগের প্রোগ্রাম করেছি—এই অভিযোগ দিয়ে আমার চেম্বারে অতর্কিত আক্রমণ এবং চেম্বারের সদস্যদের গায়ে হাত তুলে কিল-ঘুষি মেরে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং আমাকে অকথ্য ভাষায় হুমকি-ধামকি দিয়ে চেম্বার বন্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্টার বিচার চাই।’
তার দাবি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে তার চেম্বারে ক্লায়েন্টদের উপস্থিতিতেই এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়, কয়েকজন আইনজীবী চেম্বারে প্রবেশ করে আগের দিনের একটি কালো ব্যাজ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন তোলেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে চেম্বারে থাকা কয়েকজন সহকর্মীকে মারধর করা হয়।
অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন জাগো নিউজকে বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং চেম্বারের শাটারে লাথি মেরে চেম্বার বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরে আশপাশের আইনজীবী ও অন্যরা ঘটনাস্থলে জড়ো হলে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান।
ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত আইনজীবীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া এ ঘটনায় কোনো মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে কি না, তা-ও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এমডিএএ/এমআইএইচএস/
What's Your Reaction?