‘আমাদের সন্তানদের জন্য নিরাপদ পৃথিবী প্রয়োজন’
গতকালই ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টে ম্যাচসেরা হয়েছেন লিটন কুমার দাস। প্রথম ইনিংসে ১২৬ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেন ৬৯ রানের ইনিংস। জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও। এই সময়টা লিটনের থাকার কথা ফুরফুরে মেজাজে ও উদযাপনে ব্যস্ত। কিন্তু তেমনটা না হয়ে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে লিটন কুমার দাসের। যার মূল কারণ রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর প্রতিবেশী দ্বারা গলা কেটে হত্যার ঘটনায়। নৃশংসা এই ঘটনায় ঘাতকের স্ত্রীও সহযোগিতা করেছেন তাকে। জাতীয় দলের উইকেটকিপার ব্যাটার লিটনও একজন কন্যা সন্তানের বাবা। অভিভাবক হিসেবে এমন ঘটনা শোনা তার জন্যেও বেশ পীড়াদায়ক। ফেসবুকে লিটন লিখেছেন, ‘একজন কন্যাসন্তানের বাবা/মা হিসেবে রামিসার খবরটি শোনা অত্যন্ত মর্মাহত ও হৃদয়বিদারক।’ প্রত্যেক মা-বাবা তার সন্তানের জন্য একটা নিরাপদ পৃথিবী আশা করেন, যেখানে নির্ভয়ে বাঁচতে পারবে সবাই। পোস্টে লিটন উল্লেখ করেন, ‘এ ধরনের ঘটনা কোনো সমাজেই সহ্য করা যায় না। আমাদের সন্তানদের জন্য এমন একটি নিরাপদ পৃথিবী প্রয়োজন, যেখানে তারা ভয় ছাড়া বড় হতে পারে।’ রামিসার ঘটনায় ব্যথিত করেছে গোট
গতকালই ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টে ম্যাচসেরা হয়েছেন লিটন কুমার দাস। প্রথম ইনিংসে ১২৬ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেন ৬৯ রানের ইনিংস। জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও।
এই সময়টা লিটনের থাকার কথা ফুরফুরে মেজাজে ও উদযাপনে ব্যস্ত। কিন্তু তেমনটা না হয়ে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে লিটন কুমার দাসের। যার মূল কারণ রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর প্রতিবেশী দ্বারা গলা কেটে হত্যার ঘটনায়। নৃশংসা এই ঘটনায় ঘাতকের স্ত্রীও সহযোগিতা করেছেন তাকে।
জাতীয় দলের উইকেটকিপার ব্যাটার লিটনও একজন কন্যা সন্তানের বাবা। অভিভাবক হিসেবে এমন ঘটনা শোনা তার জন্যেও বেশ পীড়াদায়ক। ফেসবুকে লিটন লিখেছেন, ‘একজন কন্যাসন্তানের বাবা/মা হিসেবে রামিসার খবরটি শোনা অত্যন্ত মর্মাহত ও হৃদয়বিদারক।’
প্রত্যেক মা-বাবা তার সন্তানের জন্য একটা নিরাপদ পৃথিবী আশা করেন, যেখানে নির্ভয়ে বাঁচতে পারবে সবাই। পোস্টে লিটন উল্লেখ করেন, ‘এ ধরনের ঘটনা কোনো সমাজেই সহ্য করা যায় না। আমাদের সন্তানদের জন্য এমন একটি নিরাপদ পৃথিবী প্রয়োজন, যেখানে তারা ভয় ছাড়া বড় হতে পারে।’
রামিসার ঘটনায় ব্যথিত করেছে গোটা বাংলাদেশকে। সবাই চাইছেন সুষ্ঠু বিচার। একই দাবি করেছেন লিটনও, ‘যেকোনো অন্যায়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই যথাযথ বিচার হওয়া উচিত, এবং রামিসার ক্ষেত্রে সেই বিচার দ্রুততার সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে। রামিসার জন্য ন্যায়বিচারের দাবিতে আমরা যখন একসঙ্গে দাঁড়িয়েছি, তখন এটাও স্পষ্টভাবে বলতে হবে — এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত।’
সবশেষ লিটন বলেছেন — আমরা আর কখনও এমন কোনো মর্মান্তিক ঘটনা দেখতে চাই না।
আইএন
What's Your Reaction?