আমি ইন্টারন্যাশনাল সিনেমা বানাতে চাই: রায়হান রাফী
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে একের পর এক সাফল্যের গল্প লিখে চলেছেন নির্মাতা রায়হান রাফী। তার নির্মিত সিনেমা মানেই যেন দর্শক হলে ভিড় জমায়, আর বক্স অফিসে উঠে আসে নতুন রেকর্ডের গল্প। কিন্তু এত সাফল্যের পরও থেমে থাকতে নারাজ এই নির্মাতা। দেশের সীমানা পেরিয়ে এখন তার চোখ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। স্বপ্ন একটাই— এমন চলচ্চিত্র নির্মাণ করা, যা শুধু বাংলাদেশের পর্দায় নয়, বিশ্বমঞ্চেও গর্বের সঙ্গে তুলে ধরবে দেশের গল্প, সংস্কৃতি আর সিনেমার শক্তিকে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার নতুন চলচ্চিত্র ‘প্রেশার কুকার’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাফী তার এই স্বপ্নের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু কমার্শিয়াল সিনেমা বানাতে এখানে আসিনি। আমার নাম হয়ে গেছে রায়হান রাফী কমার্শিয়াল ডিরেক্টর, কারণ আমি সাকসেসফুল সিনেমা দিয়েছি। কিন্তু আমার একটা ভিশন আছে আমি ইন্টারন্যাশনাল সিনেমা বানাতে চাই। সারা পৃথিবীর জন্য সিনেমা বানাবো।’
নিজের কাজের অনুপ্রেরণা হিসেবে এই নির্মাতা স্মরণ করেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদকে। রাফীর মতে, তারেক মাসুদই তাকে চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমাটি রাফী তার সেই গুরুকেই উৎসর্গ কর
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে একের পর এক সাফল্যের গল্প লিখে চলেছেন নির্মাতা রায়হান রাফী। তার নির্মিত সিনেমা মানেই যেন দর্শক হলে ভিড় জমায়, আর বক্স অফিসে উঠে আসে নতুন রেকর্ডের গল্প। কিন্তু এত সাফল্যের পরও থেমে থাকতে নারাজ এই নির্মাতা। দেশের সীমানা পেরিয়ে এখন তার চোখ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। স্বপ্ন একটাই— এমন চলচ্চিত্র নির্মাণ করা, যা শুধু বাংলাদেশের পর্দায় নয়, বিশ্বমঞ্চেও গর্বের সঙ্গে তুলে ধরবে দেশের গল্প, সংস্কৃতি আর সিনেমার শক্তিকে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার নতুন চলচ্চিত্র ‘প্রেশার কুকার’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাফী তার এই স্বপ্নের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু কমার্শিয়াল সিনেমা বানাতে এখানে আসিনি। আমার নাম হয়ে গেছে রায়হান রাফী কমার্শিয়াল ডিরেক্টর, কারণ আমি সাকসেসফুল সিনেমা দিয়েছি। কিন্তু আমার একটা ভিশন আছে আমি ইন্টারন্যাশনাল সিনেমা বানাতে চাই। সারা পৃথিবীর জন্য সিনেমা বানাবো।’
নিজের কাজের অনুপ্রেরণা হিসেবে এই নির্মাতা স্মরণ করেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদকে। রাফীর মতে, তারেক মাসুদই তাকে চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমাটি রাফী তার সেই গুরুকেই উৎসর্গ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি যাকে দেখে ফিল্ম মেকিং শিখেছি, তিনি হলেন তারেক মাসুদ। এই ছবিটাই একমাত্র ছবি, যে ছবিটাতে আমি তাকে উৎসর্গ করতে পারি।’
কেবল নির্মাণ নয়, এই সিনেমার মাধ্যমে রাফীর ক্যারিয়ারে যুক্ত হয়েছে নতুন এক পালক। এটি তার প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র। সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।