আর্জেন্টিনা হেরে যাওয়ায় কুষ্টিয়ায় সমর্থকের আত্মহত্যা
বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে আর্জেন্টিনা হেরে যাওয়ায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ভ্যানচাল সুমন হোসেন (৩০) নামের এক আর্জেন্টিনা সমর্থক আত্মহত্যা করেছে। পারিবার ও বন্ধু মহল সূত্রে জানা যায়, সুমন আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিল। তাই আর্জেন্টিনার হার সইতে না পেরে অভিমান করে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের ১৬ দাগ চাষী ক্লাব এলাকার মো. আফজাল হোসেনের একমাত্র ছেলে। সোমবার (২০ জুলাই) নিজ বাড়ি থেকে ভোর সাড়ে ৫টায় তার ঝুলন্ত লাশ আত্মীয়-স্বজন উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক ও স্থানীয়রা সূত্রে জানা যায়, ভ্যানচালক সুমন হোসেন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল খেলা দেখে ভোর ৪টার সময় বাসায় ফেরেন। তিনি এই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন দিয়ে আসছিল। এ উপলক্ষে গতরাতে সে তার নিজের পক্ষ থেকে খিচুড়ির আয়োজনও করেছিলেন। বাসায় ফিরে নিজ কক্ষের দরজা বন্ধ করে সুমন বিছানায় শুয়ে মোবাইল দেখছিলেন। সে সময় তার স্ত্রী জেমি খাতুন তাকে ঘুমিয়ে পড়তে বলে নিজেও ঘুমিয়ে যান। জেমি খাতুন ভোর ৫টা ২০ মিনিটের
বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে আর্জেন্টিনা হেরে যাওয়ায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ভ্যানচাল সুমন হোসেন (৩০) নামের এক আর্জেন্টিনা সমর্থক আত্মহত্যা করেছে।
পারিবার ও বন্ধু মহল সূত্রে জানা যায়, সুমন আর্জেন্টিনার সমর্থক ছিল। তাই আর্জেন্টিনার হার সইতে না পেরে অভিমান করে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের ১৬ দাগ চাষী ক্লাব এলাকার মো. আফজাল হোসেনের একমাত্র ছেলে।
সোমবার (২০ জুলাই) নিজ বাড়ি থেকে ভোর সাড়ে ৫টায় তার ঝুলন্ত লাশ আত্মীয়-স্বজন উদ্ধার করা হয়।
পারিবারিক ও স্থানীয়রা সূত্রে জানা যায়, ভ্যানচালক সুমন হোসেন আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনাল খেলা দেখে ভোর ৪টার সময় বাসায় ফেরেন। তিনি এই বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন দিয়ে আসছিল। এ উপলক্ষে গতরাতে সে তার নিজের পক্ষ থেকে খিচুড়ির আয়োজনও করেছিলেন। বাসায় ফিরে নিজ কক্ষের দরজা বন্ধ করে সুমন বিছানায় শুয়ে মোবাইল দেখছিলেন। সে সময় তার স্ত্রী জেমি খাতুন তাকে ঘুমিয়ে পড়তে বলে নিজেও ঘুমিয়ে যান।
জেমি খাতুন ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে উঠে দেখেন তার স্বামী শয়নকক্ষের বাঁশের আড়ার সঙ্গে দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় আছেন। তার চিৎকারে পরিবারের লোকজন জড়ো হন। এ সময় তার চাচা শ্বশুর রবজেল ও প্রতিবেশী আব্দুল জলিল তাকে রশি কেটে নামিয়ে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সুমনের বন্ধু রিপন আলী জানান, সে আর্জেন্টিনার খুব বড় ভক্ত ছিল। গতকাল রাতে সে আমাদের সবার জন্য খাওয়ারও আয়োজন করেছিল। আমরা একসঙ্গে খেলা দেখতাম। এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছি না।
তার বাবা আফজাল হোসেন বলেন, সুমন খেলা দেখে যখন বাসায় ঢুকে, আমি তখন মাঠে যাচ্ছিলাম। পরে আমার ভাই রবজেল মাঠে গিয়ে আমাকে ছেলের মৃত্যুর খবর দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল জলিল জানান, সুমন আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে পারেনি। তাই অভিমানে এমনটি করেছে।
ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান কালবেলাকে জানান, শুনেছি সে আর্জেন্টিনার বড় ভক্ত ছিল। এজন্য গতকাল খাওয়া-দাওয়ার আয়োজনও করেছিল। হয়তো হতাশা থেকেই আত্মহত্যা করেছে। পরিবারের অভিযোগ না থাকায়, ময়নাতদন্ত বাদেই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
What's Your Reaction?