ইতালিতে তিন খুন, বেঁচে যাওয়া আমির পেলো বিশেষ পাসপোর্ট
ইতালির রোমে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া আমির হোসাইনকে মানবিক বিবেচনায় বিশেষ পাসপোর্ট দিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। আগামীকাল শুক্রবার নিহত তিন বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আসার কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন নিহত কামাল উদ্দিনের পারিবারিক সূত্র। এর আগে, বুধবার (১২ আগস্ট) ইতালিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তার হাতে নতুন এ পাসপোর্ট তুলে দেন। এ সময় রাষ্ট্রদূত তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং মর্মান্তিক এ ঘটনায় গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রদূত আমিরকে আশ্বস্ত করে জানান, এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দূতাবাস সর্বাত্মক যোগাযোগ ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। ইতালির রাজধানী রোমের কাসালোত্তি এলাকায় ২৬ জুন রাতে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর পরিবারের তিন সদস্যকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহতরা হলেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী আরজু আক্তার (৩৮) এবং তাদের ৫ বছরের মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। এ ঘটনায় তাদের বড় ছেলে আ
ইতালির রোমে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া আমির হোসাইনকে মানবিক বিবেচনায় বিশেষ পাসপোর্ট দিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। আগামীকাল শুক্রবার নিহত তিন বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আসার কথা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন নিহত কামাল উদ্দিনের পারিবারিক সূত্র।
এর আগে, বুধবার (১২ আগস্ট) ইতালিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত তার হাতে নতুন এ পাসপোর্ট তুলে দেন। এ সময় রাষ্ট্রদূত তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং মর্মান্তিক এ ঘটনায় গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রদূত আমিরকে আশ্বস্ত করে জানান, এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দূতাবাস সর্বাত্মক যোগাযোগ ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
ইতালির রাজধানী রোমের কাসালোত্তি এলাকায় ২৬ জুন রাতে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর পরিবারের তিন সদস্যকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহতরা হলেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী আরজু আক্তার (৩৮) এবং তাদের ৫ বছরের মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। এ ঘটনায় তাদের বড় ছেলে আমির হোসাইন আহত হলেও বেঁচে যায়।
দূতাবাস সূত্র জানায়, মর্মান্তিক এ ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারানো একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি নাগরিকের মরদেহ সম্পূর্ণ সরকারি খরচে দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক উদ্যোগ ইতঃপূর্বে গ্রহণ করা হয়েছে।
ইকবাল হোসেন মজনু/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?