ইয়ামালের ‘হ্যান্ডবল’ বিতর্কে পেনাল্টিকে বৈধ বললেন রেফারিং বিশেষজ্ঞরা
স্পেন-ফ্রান্স বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তটি গোল নয়, বরং লামিনে ইয়ামালকে ঘিরে হওয়া একটি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত। রিপ্লেতে অনেকেরই মনে হয়েছে, পেনাল্টি আদায়ের আগে বলটি হয়তো ইয়ামালের হাতে লেগেছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই শুরু হয় বিতর্ক — তাহলে কি স্পেন ভুল সিদ্ধান্তের সুবিধা পেল? কিন্তু ম্যাচ-পরবর্তী বিশ্লেষণে রেফারিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফিফার বর্তমান হ্যান্ডবল আইনের আলোকে পেনাল্টি দেওয়ার সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল। ম্যাচের ২২তম মিনিটে ফরাসি ডিফেন্ডার লুকা দিনিয়ের সঙ্গে বলের লড়াইয়ে বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হন ১৯ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামাল। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক থেকে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক মিকেল ওয়ারাজাবাল। পরে পেদ্রো পোরোর আরেক গোলে ২-০ ব্যবধানে জিতে টানা অপরাজিত থেকে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে স্পেন। তবে রিপ্লেতে দেখা যায়, ইয়ামাল বল নিয়ন্ত্রণের সময় সেটি তার হাতে লেগে থাকতে পারে। এরপরই প্রশ্ন ওঠে — এই হ্যান্ডবলের কারণে কি পেনাল্টি বাতিল হওয়া উচিত ছিল?স্পেনের সাবেক আন্তর্জাতিক রেফারি মাতেও লাহোজ অবশ্য পরিষ্কারভাবে বলেন, ‘লাম
স্পেন-ফ্রান্স বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তটি গোল নয়, বরং লামিনে ইয়ামালকে ঘিরে হওয়া একটি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত। রিপ্লেতে অনেকেরই মনে হয়েছে, পেনাল্টি আদায়ের আগে বলটি হয়তো ইয়ামালের হাতে লেগেছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই শুরু হয় বিতর্ক — তাহলে কি স্পেন ভুল সিদ্ধান্তের সুবিধা পেল?
কিন্তু ম্যাচ-পরবর্তী বিশ্লেষণে রেফারিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফিফার বর্তমান হ্যান্ডবল আইনের আলোকে পেনাল্টি দেওয়ার সিদ্ধান্তই সঠিক ছিল।
ম্যাচের ২২তম মিনিটে ফরাসি ডিফেন্ডার লুকা দিনিয়ের সঙ্গে বলের লড়াইয়ে বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হন ১৯ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামাল। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক থেকে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক মিকেল ওয়ারাজাবাল। পরে পেদ্রো পোরোর আরেক গোলে ২-০ ব্যবধানে জিতে টানা অপরাজিত থেকে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে স্পেন।
তবে রিপ্লেতে দেখা যায়, ইয়ামাল বল নিয়ন্ত্রণের সময় সেটি তার হাতে লেগে থাকতে পারে। এরপরই প্রশ্ন ওঠে — এই হ্যান্ডবলের কারণে কি পেনাল্টি বাতিল হওয়া উচিত ছিল?
স্পেনের সাবেক আন্তর্জাতিক রেফারি মাতেও লাহোজ অবশ্য পরিষ্কারভাবে বলেন, ‘লামিনে ইয়ামালের ওপর পেনাল্টি হয়েছে। অর্থাৎ, ইয়ামালের ওপর স্পষ্ট ফাউল হয়েছে এবং পেনাল্টির সিদ্ধান্ত সঠিক।’
রেফারিং বিশ্লেষকদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বল হাতে লাগলেও সেটি ইচ্ছাকৃত ছিল না এবং সেই স্পর্শ থেকে সরাসরি কোনো গোলও হয়নি। বর্তমান ফিফা হ্যান্ডবল আইনে এমন পরিস্থিতিতে আক্রমণকারী দলের বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফাউল ধরা হয় না। তাই ভিএআরও রেফারির সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের মতো স্পষ্ট কারণ খুঁজে পায়নি।
ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম অবশ্য ম্যাচ শেষে এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তার মতে, ম্যাচের এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের সিদ্ধান্তই ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছে।
এই বিতর্কের মধ্যেও স্পেনের দারুণ রক্ষণ এবং কার্যকর আক্রমণই শেষ পর্যন্ত তাদের ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছে। আর ইয়ামালকে ঘিরে পেনাল্টি বিতর্ক এখন ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত রেফারিং সিদ্ধান্তগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
টিটিটি/আইএন
What's Your Reaction?