ইরানের বিরুদ্ধে ঘাঁটি ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘না’ বলল যুক্তরাজ্য
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক হামলায় ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের মার্কিন অনুরোধ নাকচ করেছে যুক্তরাজ্য। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মরিশাসের সঙ্গে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ চুক্তিতে সমর্থন প্রত্যাহার করেছেন বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস।
ব্রিটিশ সরকার বলছে, মরিশাসের সঙ্গে চুক্তিটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য জরুরি এবং সার্বভৌমত্ব নিয়ে আইনি জটিলতা এড়াতে এটি প্রয়োজন। চুক্তিটি বাস্তবায়নে করদাতাদের প্রায় ৩৫ বিলিয়ন পাউন্ড খরচ হতে পারে।
হোয়াইট হাউস ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার বিস্তারিত সামরিক পরিকল্পনা তৈরি করছে। এতে ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি এবং ইংল্যান্ডের গ্লুচেস্টারশায়ারের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি ব্যবহারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এই দুই ঘাঁটিই যুক্তরাষ্ট্র অতীতে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক অভিযানে ব্যবহার করেছে।
১৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি সমঝোতায় না আসে, তাহলে দিয়েগো গার্সিয়া ও ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি ব্যবহার করতে হতে পারে। তিনি দাবি করেন, এমন পরিস্থিতিতে ইরান যুক্তরাজ্যসহ মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।
দীর্ঘদিনের চুক্তি অনুযায়ী, ব্রিটিশ ভ
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক হামলায় ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের মার্কিন অনুরোধ নাকচ করেছে যুক্তরাজ্য। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মরিশাসের সঙ্গে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ চুক্তিতে সমর্থন প্রত্যাহার করেছেন বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস।
ব্রিটিশ সরকার বলছে, মরিশাসের সঙ্গে চুক্তিটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য জরুরি এবং সার্বভৌমত্ব নিয়ে আইনি জটিলতা এড়াতে এটি প্রয়োজন। চুক্তিটি বাস্তবায়নে করদাতাদের প্রায় ৩৫ বিলিয়ন পাউন্ড খরচ হতে পারে।
হোয়াইট হাউস ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার বিস্তারিত সামরিক পরিকল্পনা তৈরি করছে। এতে ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি এবং ইংল্যান্ডের গ্লুচেস্টারশায়ারের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি ব্যবহারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এই দুই ঘাঁটিই যুক্তরাষ্ট্র অতীতে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক অভিযানে ব্যবহার করেছে।
১৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি সমঝোতায় না আসে, তাহলে দিয়েগো গার্সিয়া ও ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি ব্যবহার করতে হতে পারে। তিনি দাবি করেন, এমন পরিস্থিতিতে ইরান যুক্তরাজ্যসহ মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।
দীর্ঘদিনের চুক্তি অনুযায়ী, ব্রিটিশ ভূখণ্ডে থাকা যৌথ ঘাঁটি আক্রমণাত্মক অভিযানে ব্যবহার করতে হলে যুক্তরাজ্যের আগাম অনুমোদন প্রয়োজন। এদিকে তেহরানকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধজাহাজ, বিমান ও সামরিক সরঞ্জাম ওই অঞ্চলে পাঠিয়েছে।