ইরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো আলোচনা’ চলছে, কিন্তু তারা স্বীকার করতে চায় না

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘খুব ভালো আলোচনা’ চলছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তেহরান বারবার এমন আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা খুব ভালো আলোচনা করছি। তারা বিষয়টি স্বীকার করতে চায় না, কিন্তু আলোচনা চলছে।’ আরও পড়ুন ইরানে ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হামলার’ পরিকল্পনা ট্রাম্পের! তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বাস্তব পদক্ষেপ। তারা একটি চুক্তি করতে চায়। এখন দেখা যাক কী হয়। যদি তারা চুক্তি না করে, তাহলে সেটি তাদের জন্য ভালো হবে না।’ এ সময় ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। এখনো তারা তা পায়নি, ভবিষ্যতেও সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হবে। হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অচিরেই এ নৌপথ খুলে যাবে। অন্যথায় ইরানকে কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। আরও পড়ুন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ / আলোচনা-সমঝোতা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিলো ইরান সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট

ইরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো আলোচনা’ চলছে, কিন্তু তারা স্বীকার করতে চায় না

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘খুব ভালো আলোচনা’ চলছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তেহরান বারবার এমন আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা খুব ভালো আলোচনা করছি। তারা বিষয়টি স্বীকার করতে চায় না, কিন্তু আলোচনা চলছে।’

তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বাস্তব পদক্ষেপ। তারা একটি চুক্তি করতে চায়। এখন দেখা যাক কী হয়। যদি তারা চুক্তি না করে, তাহলে সেটি তাদের জন্য ভালো হবে না।’

এ সময় ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। এখনো তারা তা পায়নি, ভবিষ্যতেও সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হবে।

হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অচিরেই এ নৌপথ খুলে যাবে। অন্যথায় ইরানকে কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক হামলার পরিকল্পনা করেছিল। তার কথায়, সে সময় ইরানের পক্ষ থেকেই যোগাযোগ করা হয় এবং আলোচনার অনুরোধ জানানো হয়।

ট্রাম্প বলেন, ‘তারা খুব ভদ্রভাবে বলেছিল, আমরা কি কথা বলতে পারি? আমি বলেছিলাম, হ্যাঁ, কথা বলতে পারি। চলুন, এবার বিষয়টির সমাধান করি।’

ইরান নীতিতে আগের মার্কিন প্রশাসনগুলোরও সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, গত কয়েক দশকেই এ সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত ছিল। বিশেষ করে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নীতির সমালোচনা করে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, অর্থ দিয়ে ইরানকে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটি কার্যকর হয়নি।

ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি আবার আলোচনার পথ থেকে সরে আসে, তাহলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে। তারা জানে, যদি আবার পিছু হটে, তাহলে খুব কঠিন আঘাতের মুখে পড়বে।

তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে প্রয়োজন হলে আরও কঠিন ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। তবে তিনি আশাপ্রকাশ করেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যাবে না এবং আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব হবে।

সূত্র: আল-জাজিরা
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow