ঈদের সময় আবহাওয়া নিয়ে যে তথ্য দিল অধিদপ্তর

মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে) উদযাপিত হবে। এসময় দেশে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর প্রবল শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি ঈদের তারিখ ঘোষণা করে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদী পুর্বাভাসে এই তথ্য জানা গেছে। দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস বলা হয়েছে, মে মাসের দ্বিতীয় অর্ধে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে যার মধ্যে অন্তত একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ। একই সময়ে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হলেও বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ কমিটির সভায় জানানো হয়েছে।   বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাসের তথ্যমতে, এই মাসে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে সিলেট বিভাগে যেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৪০ থেকে ৩৬০, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩০ থেকে ৩৫০, রংপুর বিভাগে ২৬০ থেকে ২৮০ এবং ঢাকা বিভাগে ২৫০ থেকে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। অন্যদিকে বরিশাল বিভাগে ২২০ থেকে ২৫০, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ থেক

ঈদের সময় আবহাওয়া নিয়ে যে তথ্য দিল অধিদপ্তর

মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে) উদযাপিত হবে। এসময় দেশে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর প্রবল শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি ঈদের তারিখ ঘোষণা করে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদী পুর্বাভাসে এই তথ্য জানা গেছে।

দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস বলা হয়েছে, মে মাসের দ্বিতীয় অর্ধে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে যার মধ্যে অন্তত একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ। একই সময়ে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হলেও বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ কমিটির সভায় জানানো হয়েছে।
 
বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাসের তথ্যমতে, এই মাসে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে সিলেট বিভাগে যেখানে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৪০ থেকে ৩৬০, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩০ থেকে ৩৫০, রংপুর বিভাগে ২৬০ থেকে ২৮০ এবং ঢাকা বিভাগে ২৫০ থেকে ২৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। অন্যদিকে বরিশাল বিভাগে ২২০ থেকে ২৫০, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ থেকে ১৯০ এবং খুলনা বিভাগে ১৬০ থেকে ১৮০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির পাশাপাশি এ মাসে দেশে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় হতে পারে যার মধ্যে অন্তত ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
 
ঈদের সময়ের আবহাওয়া প্রসঙ্গে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বর্তমানে কালবৈশাখী ঝড়ের মৌসুম চলায় ঝড়-বৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। মে মাসের শেষের দিকে দেশের দুই-একটি অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস থাকলেও কোন অঞ্চলে কেমন বৃষ্টিপাত হবে তা এখনই সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow