এক বছরেই বিপর্যস্ত আশাশুনির সড়ক

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নে নির্মাণের এক বছরের মাথায় প্রায় ১ কিলোমিটার পিচঢালা সড়ক ভেঙে ভেঙে পড়ছে। অনিয়ম ও অবহেলার অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা থেকে চাঁদবাড়িয়া খেয়াঘাট পর্যন্ত সড়কের মাঝামাঝি অংশে প্রায় ১ কিলোমিটার পিচের কার্পেটিং করা হয়। ২০২৫ সালে কাজ শেষ হলেও ওই অংশের দু’পাশে মাটির সুরক্ষা কাজ (শোল্ডার) করা হয়নি। ফলে শুরু থেকেই সড়কটি ঝুঁকিতে ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার দু’পাশ ক্ষয়ে গিয়ে এখন মূল পিচঢালা অংশেও ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ একসরা ইউসুফ মোড়লের বাড়ির সামনে থেকে মধ্যম একসরা শহীদ জিয়া ফুটবল মাঠ পর্যন্ত অংশটি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম জানান, প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সড়কের পাশ ভেঙে পাশের ঘের ও বিলের পানিতে ধসে পড়ছে। দ্রুত সংস্কার না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে সড়কের বড় অংশ বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কটি যথাযথ তদারকি

এক বছরেই বিপর্যস্ত আশাশুনির সড়ক

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নে নির্মাণের এক বছরের মাথায় প্রায় ১ কিলোমিটার পিচঢালা সড়ক ভেঙে ভেঙে পড়ছে। অনিয়ম ও অবহেলার অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা থেকে চাঁদবাড়িয়া খেয়াঘাট পর্যন্ত সড়কের মাঝামাঝি অংশে প্রায় ১ কিলোমিটার পিচের কার্পেটিং করা হয়। ২০২৫ সালে কাজ শেষ হলেও ওই অংশের দু’পাশে মাটির সুরক্ষা কাজ (শোল্ডার) করা হয়নি। ফলে শুরু থেকেই সড়কটি ঝুঁকিতে ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার দু’পাশ ক্ষয়ে গিয়ে এখন মূল পিচঢালা অংশেও ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে।

দক্ষিণ একসরা ইউসুফ মোড়লের বাড়ির সামনে থেকে মধ্যম একসরা শহীদ জিয়া ফুটবল মাঠ পর্যন্ত অংশটি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম জানান, প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সড়কের পাশ ভেঙে পাশের ঘের ও বিলের পানিতে ধসে পড়ছে। দ্রুত সংস্কার না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে সড়কের বড় অংশ বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কটি যথাযথ তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অল্প সময়েই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারী ও যানবাহন চালকরা। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও কৃষিপণ্যবাহী যানবাহনের জন্য পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুছ বলেন, কার্পেটিং কাজের পাশাপাশি মাটির কাজের জন্য প্রায় ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল বলে তিনি জেনেছেন। কিন্তু কেন ওই এক কিলোমিটার অংশে মাটির কাজ সম্পন্ন হয়নি, তা তাঁর জানা নেই। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সড়কটি ব্যবহার অনিরাপদ হয়ে পড়বে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা প্রকৌশলী অনিন্দ্ব্য দেবের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, বরাদ্দ ও দায়-দায়িত্ব নিয়ে দফায় দফায় বক্তব্যের বদলে দ্রুত বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হোক, বর্ষার আগেই সড়কটি রক্ষা করলে জনদুর্ভোগ কমবে।

আহসানুর রহমান রাজীব/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow