এফডিআর থেকে টাকা তোলার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিল বিসিবি
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়ে ভাঁটা পড়েছে। ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপ্ট বা এফডিআর থেকে খরচ করা হচ্ছে অর্থ। বিসিবিকে নিয়ে এমন খবর চাউর হয়েছে ক্রিকেট অঙ্গনে। এবার সত্যতা জানিয়ে তার ব্যাখ্যা দিল খোদ বিসিবি।
বিসিবি দাবি করেছে, এই খবর ভিত্তিহীন, অসত্য। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘বিসিবি সম্প্রতি বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরে দৃষ্টি দিয়েছে যেখানে দাবি করা হয়েছে বর্তমানে এফডিআর থেকে অর্থ খরচ মেটাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিরিবি এই দাবি স্পষ্টভাবে খণ্ডন করছে। এমন খবর ভিত্তিহীন।’
বিবৃতিতে বিসিবি দাবি করেছে, বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মধ্যে থেকেই সব ধরনের আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বাণিজ্যিক চুক্তি, ক্রিকেট ইভেন্ট ও মানসম্মত আর্থিক ব্যব্যস্থাপনা দিয়ে বোর্ড সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে। আর এসব বৈধ রাজস্ব প্রবাহের কারণে বোর্ডের আর্থিক কার্যক্রমও স্বাভাবিক আছে।
বোর্ড দাবি করেছে, বিদ্যমান সম্পদ দিয়েই সব ধরনের আর্থিক বিষয় দেখভাল করার সক্ষমতা আছে। তাই কোনো খবর বা তথ্য প্রচারের আগে সত্যতা যাচাইয়ের অনুরোধ করেছে বিসিবি। সম্প্রতি সাবেক বোর্ড পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া দাবি করেন, ‘বিসিবি এ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়ে ভাঁটা পড়েছে। ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপ্ট বা এফডিআর থেকে খরচ করা হচ্ছে অর্থ। বিসিবিকে নিয়ে এমন খবর চাউর হয়েছে ক্রিকেট অঙ্গনে। এবার সত্যতা জানিয়ে তার ব্যাখ্যা দিল খোদ বিসিবি।
বিসিবি দাবি করেছে, এই খবর ভিত্তিহীন, অসত্য। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘বিসিবি সম্প্রতি বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরে দৃষ্টি দিয়েছে যেখানে দাবি করা হয়েছে বর্তমানে এফডিআর থেকে অর্থ খরচ মেটাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিরিবি এই দাবি স্পষ্টভাবে খণ্ডন করছে। এমন খবর ভিত্তিহীন।’
বিবৃতিতে বিসিবি দাবি করেছে, বোর্ডের নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মধ্যে থেকেই সব ধরনের আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বাণিজ্যিক চুক্তি, ক্রিকেট ইভেন্ট ও মানসম্মত আর্থিক ব্যব্যস্থাপনা দিয়ে বোর্ড সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে। আর এসব বৈধ রাজস্ব প্রবাহের কারণে বোর্ডের আর্থিক কার্যক্রমও স্বাভাবিক আছে।
বোর্ড দাবি করেছে, বিদ্যমান সম্পদ দিয়েই সব ধরনের আর্থিক বিষয় দেখভাল করার সক্ষমতা আছে। তাই কোনো খবর বা তথ্য প্রচারের আগে সত্যতা যাচাইয়ের অনুরোধ করেছে বিসিবি। সম্প্রতি সাবেক বোর্ড পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া দাবি করেন, ‘বিসিবি এফডিআর ভেঙে খাচ্ছে।’ এরপর থেকেই মূলত এই খবর চাউর হয়।