এবার ইরানের পাশে প্রকাশ্যে যেভাবে দাঁড়াল রাশিয়া-চীন-ফ্রান্স

হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার জন্য আরব দেশগুলো কর্তৃক প্রস্তাবিত সামরিক পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগানোর উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্সের ত্রৈমুখী ভেটো-এর কারণে প্রস্তাবটি কার্যকর হয়নি।  একজন কূটনীতিক ও জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আরব রাষ্ট্রগুলো একটি প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল, যাতে “শক্তি প্রয়োগের অনুমোদন” সংবলিত একটি রেজোলিউশন পাশ করার মাধ্যমে বৈশ্বিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা যেত। কিন্তু ভেটো শক্তিধর তিন দেশের কারণে এটি বাতিল হয়ে যায়। রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স তাদের অবস্থানকে শক্তি প্রয়োগ অনুমোদনের ভাষার নীতিগত বিরোধ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই অবস্থান ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও তেলের প্রবাহে প্রভাব রাখার সুযোগ দিয়ে দিয়েছে। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর বিভাজন তুলে ধরেছে। ফ্রান্স রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রস্তাব ব্লক করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালী বর্তমানে অচল অবস্থায় রয়েছে। প

এবার ইরানের পাশে প্রকাশ্যে যেভাবে দাঁড়াল রাশিয়া-চীন-ফ্রান্স

হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার জন্য আরব দেশগুলো কর্তৃক প্রস্তাবিত সামরিক পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগানোর উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে। রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্সের ত্রৈমুখী ভেটো-এর কারণে প্রস্তাবটি কার্যকর হয়নি। 

একজন কূটনীতিক ও জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আরব রাষ্ট্রগুলো একটি প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল, যাতে “শক্তি প্রয়োগের অনুমোদন” সংবলিত একটি রেজোলিউশন পাশ করার মাধ্যমে বৈশ্বিক জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা যেত। কিন্তু ভেটো শক্তিধর তিন দেশের কারণে এটি বাতিল হয়ে যায়।

রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স তাদের অবস্থানকে শক্তি প্রয়োগ অনুমোদনের ভাষার নীতিগত বিরোধ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই অবস্থান ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও তেলের প্রবাহে প্রভাব রাখার সুযোগ দিয়ে দিয়েছে।

ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর বিভাজন তুলে ধরেছে। ফ্রান্স রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রস্তাব ব্লক করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং যুদ্ধবিরতির আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে।

বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালী বর্তমানে অচল অবস্থায় রয়েছে। পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও সরবরাহে বড় প্রভাব পড়তে পারে।

সূত্র:The New York Times.

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow