কখন পদত্যাগ করবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার?

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে ভরাডুবি ও লেবার পার্টির অভ্যন্তরে তীব্র বিদ্রোহের মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। তবে তিনি ঠিক কবে বা কোন মুহূর্তে পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন, তা নিয়ে এখনো চলছে নাটকীয়তা। শনিবার (১৬ মে) যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক বিশেষ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী স্টারমার তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের জানিয়েছেন, তিনি পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন এবং নতুন উত্তরসূরি নির্বাচনের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করবেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই ঘোষণাটি কখন আসবে? ডাউনিং স্ট্রিট ও লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো থেকে দুই ধরনের ভিন্ন বার্তা পাওয়া যাচ্ছে- ১৮ জুনের উপনির্বাচনের পর ঘোষণার পক্ষে: স্টারমারের সাবেক চিফ অব স্টাফ মরগান ম্যাকসুইনিসহ ডাউনিং স্ট্রিটের কিছু জ্যেষ্ঠ মিত্র তাকে এখনই কোনো ঘোষণা না দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। আগামী ১৮ জুন ‘মেকারফিল্ড’ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ম্যাকসুইনির যুক্তি হলো, এই উপনির্বাচনের প্রথম দফার জনমত জরিপ বা ফলাফল আসা পর্যন্ত স্টারমারের ক্ষমতা

কখন পদত্যাগ করবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার?

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে ভরাডুবি ও লেবার পার্টির অভ্যন্তরে তীব্র বিদ্রোহের মুখে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। তবে তিনি ঠিক কবে বা কোন মুহূর্তে পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন, তা নিয়ে এখনো চলছে নাটকীয়তা।

শনিবার (১৬ মে) যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক বিশেষ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী স্টারমার তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের জানিয়েছেন, তিনি পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন এবং নতুন উত্তরসূরি নির্বাচনের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করবেন।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই ঘোষণাটি কখন আসবে? ডাউনিং স্ট্রিট ও লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো থেকে দুই ধরনের ভিন্ন বার্তা পাওয়া যাচ্ছে-

১৮ জুনের উপনির্বাচনের পর ঘোষণার পক্ষে: স্টারমারের সাবেক চিফ অব স্টাফ মরগান ম্যাকসুইনিসহ ডাউনিং স্ট্রিটের কিছু জ্যেষ্ঠ মিত্র তাকে এখনই কোনো ঘোষণা না দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। আগামী ১৮ জুন ‘মেকারফিল্ড’ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ম্যাকসুইনির যুক্তি হলো, এই উপনির্বাচনের প্রথম দফার জনমত জরিপ বা ফলাফল আসা পর্যন্ত স্টারমারের ক্ষমতা ধরে রাখা উচিত। যদি সেখানে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় কিংবা ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহামের হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়, তবে স্টারমারের ঘুরে দাঁড়ানোর একটি শেষ সুযোগ থাকতে পারে।

উপনির্বাচনের আগেই ঘোষণার পক্ষে: অন্যদিকে, মন্ত্রিসভায় স্টারমারের মূল সমর্থকেরা মনে করছেন, উপনির্বাচনের ফলাফল পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে চরম ঝুঁকিপূর্ণ। যদি ভোটের ফলে অ্যান্ডি বার্নহাম বড় ব্যবধানে জিতে যান, তবে তা দেখতে এমন লাগবে যেন বার্নহামই স্টারমারকে ডাউনিং স্ট্রিট থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। এই ব্যক্তিগত অবমাননা এড়াতে ১৮ জুনের আগেই স্টারমার পদত্যাগের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করতে পারেন।

‘নিজের শর্তে’ সসম্মানে বিদায় চান স্টারমার

মন্ত্রিসভার এক প্রভাবশালী সদস্য ডেইলি মেইলকে বলেছেন, ‘কিয়ার বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝতে পেরেছেন। তিনি উপলব্ধি করছেন যে ডাউনিং স্ট্রিটের বর্তমান বিশৃঙ্খলা আর দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তিনি কেবল সসম্মানে এবং নিজের পছন্দমতো সময়ে ও উপায়ে বিদায় নিতে চান। খুব শিগগিরই তিনি সেই সময়সূচি ঘোষণা করবেন।’

সূত্র: ডেইলি মেইল
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow